কেশবপুরে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুলগ্রামের ফুলচাষী অঞ্জু সরকার

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি॥ কেশবপুরে বসন্ত উৎসব, বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে মহা ব্যস্ত সময় পার করছেন ফুলের রাজধানী খ্যাত কেশবপুরের মূলগ্রামের অঞ্জু সরকার (ফুল বৌদি)।
ক্ষেত থেকে সময়মত পর্যাপ্ত ফুল পেতে গাছ পরিচর্যায় ব্যাস্ত সময় পার করে চলেছেন তিনি। মূলগ্রাম এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে মাঠ জুড়ে ফুল আর ফুল। সেখানে রং বে রঙ্গের গোলাপ, গাঁদাফুল, বেলিফুল, জারবেরা, গ¬াডিওলাস, রজনীগন্ধা, হলুদগাঁধা, চন্দ্রমল্লি¬কাসহ নানা প্রজাতির ফুল চাষ হচেছ। এ বছর বসন্ত উৎসব, বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ৮ লক্ষাধিক টাকার ফুল বিক্রি করার র্টাগেট রয়েছে তার। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী থেকে অঞ্জু সরকার (ফুল বৌদি) এই ৩ দিবসের ফুল বাজারে সরবরাহ করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে ৪ বার জাতীয় স্বর্ণপদক প্রাপ্ত অঞ্জু সরকার (ফুল বৌদি) বলেন, কেশবপুর উপজেলার মূলগ্রামে ৬ বিঘা ও মাগুরায় ২ বিঘা জমিতে ফুলের আবাদ করেছি। এবারের বসন্ত বরণ, বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে ৮ লক্ষাধিক টাকার ফুল সরবরাহ করা হবে। এবছরে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভাল। আশা করছি ভাল মূল্য পাবো। অঞ্জু সরকারের ছেলে রুপচাঁদ সরকার বলেন, কেশবপুর বাজারে ১টি সহ সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা বাজারে ১টি, তালা বাজারে ২টি, পাইকগাছা বাজার ১টি, কপিলমুনি বাজারে ১টি ও মাগুরা বাজারে ২টি শুভেচ্ছা ফুলঘর রয়েছে। এসব ফুলঘর থেকে এবছর এই ৩ উৎসবে ৮ লক্ষাধিক টাকার ফুল বিক্রি করার টার্গেট রয়েছে। তিনি আরও বলেন এই ৬টি অঞ্চলের ফুলের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে ফুল সরবরাহ করে থাকি। তবে এই তিনটি উৎসবে সবচেয়ে বেশি ফুল বিক্রি হয়। তাছাড়া বিয়ে, জন্মদিন, পূজাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও আমরা ফুল সরবরাহ করে থাকি। তিনি আরো বলেন, আমাদের ৮টি শুভেচ্ছা ফুলঘরে ২৪ জন কর্মচারী রয়েছে এবং পার্ট টাইম হিসাবে ২০ জন ছেলে মেয়ে লেখা পড়ার পাশা-পাশি অর্থ উপার্জনের জন্য আমাদের সাথে শ্রম দিয়ে থাকে।

SHARE