ঢাকার সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় ইইউ

সমাজের কথা ডেস্ক॥ বর্তমান সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সম্পর্কের মাত্রা আরও ঘনিষ্ট করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইউরোপিয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ’র রাষ্ট্রদূত রেনজি তেরিঙ্ক বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) বৈঠক করেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইইউ’র পক্ষে এমন মনোভাব ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ যখন এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশ করবে, তখন বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের কাঠামো কেমন হবে তা এখন থেকেই এই বিষয়ে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছে ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ’র রাষ্ট্রদূত রেনজি তেরিঙ্ক।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এই বৈঠক সম্পর্কে বলা হয়েছে, বৈঠকে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রদূত রেনজি তেরিঙ্ক বলেছেন, ‘সুশাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অভিবাসন, রোহিঙ্গা সঙ্কট, জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়ন সহযোগিতাসহ বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের সার্বিক বিষয়ে ইইউ’র সহযোগিতা এবং সমর্থন অব্যাহত থাকবে।’
রাষ্ট্রদূত রেনজি তেরিঙ্ক আরও বলেন, ‘সামনে ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশ আর স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় থাকবে না। তখন ইইউ’র সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেমন হতে পারে, তা এখন থেকেই চিহ্নিত করে কাজ করা প্রয়োজন। কেননা তখন দুই পক্ষের সম্পর্কে রাজনৈতিক বিষয় বেশি যুক্ত হবে।’
বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখায় ইইউ রাষ্ট্রদূত রেনজি তেরিঙ্ককে ধন্যবাদ জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আগামী ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে, ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বিশ্বে পরিণত হতে আরো কার্যকর সহযোগিতা চেয়েছেন।
এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত শ্রীলংকার হাইকমিশনার জেনারেল এডব্লিউজেসি ডি সিলভা এবং নেপালের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ড. চোপলাল ভুশাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

শেয়ার