একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে নিউ জিল্যান্ডের কাছে হারল শ্রীলঙ্কা

সমাজের কথা ডেস্ক॥ নিউ জিল্যান্ডের প্রথম চার ব্যাটসম্যানকে চার ওভারের মধ্যে ফেরালেও রান উৎসব থামাতে পারলেন না শ্রীলঙ্কার বোলাররা। আর ব্যাটিংয়ে মাত্র ২৭ রান তুলতেই প্যাভিলিয়নে ফিরলেন তাদের শেষ ছয় ব্যাটসম্যান। একমাত্র টি-টোয়েন্টিতে হারায় কোনো জয় ছাড়াই শেষ হলো লঙ্কানদের সফর।
শুক্রবার অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে ৩৫ রানে জয় পায় নিউ জিল্যান্ড। ১৮০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় শ্রীলঙ্কা ১৬.৫ ওভারে গুটিয়ে যায় ১৪৪ রানে।
শুরুতে ভিন্ন কিছুর আভাস দিয়েছিলেন কাসুন রাজিথা ও অধিনায়ক লাসিথ মালিঙ্গা। ইনিংসের প্রথম ওভারেই মার্টিন গাপটিলকে ফেরান মালিঙ্গা। পরের ওভারে নিয়মিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের অনুপস্থিতিতে তিনে নামা কিপার ব্যাটসম্যান টিম সেইফার্টকে ফেরান রাজিথা। ওয়ানডে সিরিজে দারুণ ছন্দে থাকা হেনরি নিকোলসকে মালিঙ্গা নিজের দ্বিতীয় ওভারে বোল্ড করে দিলে স্বাগতিকদের বিপদ আরও বাড়ে। চতুর্থ ওভারে দলীয় ২৭ রানের মাথায় ফেরেন আরেক ওপেনার কলিন মানরো।
মিচেল স্যান্টনারকে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন অভিজ্ঞ রস টেইলর। ৩৭ বলে ৩৩ রান করা টেইলরকে ফেরান থিসারা পেরেরা। আর স্যান্টনারকে তুলে নেন লাকশান সান্দক্যান। লঙ্কান বোলারদের উপর মূল তা-ব চালান দুই বোলিং অলরাউন্ডার ডগ ব্রেসওয়েল ও অভিষিক্ত স্কট কাগেলাইন। অষ্টাদশ ওভারে রাজিথার স্লোয়ারে ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার দারুণ এক ক্যাচে আউট হওয়ার আগে ব্রেসওয়েল ৫ ছক্কা ও এক চারে ২৬ বলে করেন ৪৪ রান। অভিষিক্ত কাগেলাইনকে ফেরানো যায়নি। ১৫ বলে ৪ ছক্কা ও এক চারে ৩৫ রান করে অপরাজিত থেকে যান ২৭ বছর বয়সী এই ডানহাতি। ৪৪ রানে ৩ উইকেট নেন রাজিথা। আর ২৪ রানে মালিঙ্গার শিকার ২ উইকেট।
বড় রান তাড়ায় টপ অর্ডার ভালো শুরু এনে দিয়েছিল অতিথিদের। ওপেনার সাদিরা সামারাবিক্রমা গোল্ডেন ডাকের স্বাদ পেলেও নিরোশন ডিকভেলা ও কুসাল পেরেরার ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস লড়াইয়ে রেখেছিল শ্রীলঙ্কাকে। পাঁচে নেমে ৩ ছক্কা ও দুই চারে ২৪ বলে ৪৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন থিসারা পেরেরা। ১২ ওভার শেষে লঙ্কানদের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ১১৭ রান। ত্রয়োদশ ওভারে স্বাগতিকদের ম্যাচে ফেরান লকি ফার্গুসন। তৃতীয় বলে দারুণ এক স্লোয়ারে বিভ্রান্ত করেন থিসারাকে। আর শেষ বলে ১৪৭ কিলোমিটার গতির এক ইয়র্কারে ভেঙ্গে দেন ধনাঞ্জয়া ডি সিলভার স্ট্যাম্প।
এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। শেষ চার ব্যাটসম্যানকে তুলে নেন দুই স্পিনার ইশ সোধি ও স্যান্টনার। ইনিংসে সর্বোচ্চ ৩টি করে উইকেট নেন সোধি ও ফার্গুসন।

SHARE