মন্ত্রিসভায় চমক, আজ শপথ

 ৪৭ সদস্যের মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী ২৪,
প্রতিমন্ত্রী ১৯ ও উপমন্ত্রী ৩

সমাজের কথা ডেস্ক॥ একাদশ সংসদ নির্বাচনে অভাবনীয় জয়ের পর টানা তৃতীয়বার মত ক্ষমতায় এসে একঝাঁক নতুন মুখ নিয়ে নতুন সূচনা করতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিদায়ী সরকারে থাকা প্রবীণ ও বয়োজ্যেষ্ঠ মন্ত্রীদের অধিকাংশেরই জায়গা হয়নি নতুন মন্ত্রিসভায়। গত দুইবার শরিক দলের নেতাদের নিয়ে শেখ হাসিনা সরকার গঠন করলেও তার নতুন মন্ত্রিসভার সবাই আওয়ামী লীগের।
প্রধানমন্ত্রীসহ নতুন মন্ত্রিসভার আকার দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে। তাদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী প্রথমবারের মত সরকারের দায়িত্ব পালন করতে আসছেন। বিদায়ী সরকারে থাকা ৩৪ জনের নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান হয়নি।
সরকারের ২৪ জন মন্ত্রীর মধ্যে নয়জনই একেবারে নতুন। বিদায়ী সরকারে না থাকলেও আগে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালন করেছেন এমন তিনজনকে শেখ হাসিনা ফিরিয়ে এনেছেন পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে।
পুরনোদের মধ্যে যে সাতজন মন্ত্রী নতুন সরকারে টিকে গেছেন, তাদের ছয়জনই আগের দপ্তরে থেকে যাচ্ছেন। এছাড়া গত সরকারের পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর এবার পদোন্নতি হয়েছে।
শেখ হাসিনার গত সরকারে অনির্বাচিত (টেকনোক্র্যাট) মন্ত্রী ছিলেন চারজন, তাদের মধ্যে দুজনকে এবারও সরকারে রাখা হয়েছে। এছাড়া টেকনোক্র্যাট হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে এসেছেন একজন।
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া ১৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই সরকারে আসছেন এই প্রথমবার। তিনজন শেখ হাসিনার গত সরকারেও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। আর একজন আগে সরকারে থাকলেও গত মন্ত্রিসভায় ছিলেন না।
শেখ হাসিনা তার এবারের সরকারে তিন মন্ত্রণালয়ে তিনজনকে উপমন্ত্রী করেছেন, তাদের সবাই নতুন মুখ।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছ থেকে দায়িত্ব পালনের শপথ নেবেন নতুন সরকারের সদস্যরা।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম রোববার বিকালে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ও দপ্তর জানিয়ে দেন।
বাংলাদেশে আগে কখনও এভাবে সংবাদ সম্মেলন করে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা হয়নি। কারা সরকারে থাকছেন তার চূড়ান্ত তালিকা জানতে সাংবাদিকদের শপথ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হত।

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়লেন যারা
নতুন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীসহ ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও তিন জন উপমন্ত্রী থাকছেন। রোববার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।
নতুন ঘোষিত মন্ত্রিসভার তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আগের মন্ত্রিসভা থেকে পূর্ণমন্ত্রীই বাদ পড়েছেন ২৫ জন! এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্যও রয়েছেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাদ পড়ার বিষয়টি অনুমেয়ই ছিল। তিনি এবারের নির্বাচনেও অংশ নেননি। পরে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী চাইলে টেকনোক্র্যাট কোটায় কিছুদিন দায়িত্ব পালনে রাজি হবেন বলে জানিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে আর দায়িত্বে রাখেননি আওয়াামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আগের মেয়াদের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল।
এছাড়া বাদ পড়াদের তালিকায় রয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু; বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ; কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী; স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম; ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন; নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, খাদ্যমন্ত্রী মো. কামরুল ইসলাম; গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন; ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ; রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক; বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মুহা. ইমাজা উদ্দিন প্রামাণিক।
আরও বাড় পড়েছেন-প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বেসামরিক ও বিমান পরিবহনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল।
এছাড়া, গত মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় স্থান পাওয়া ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি-ও এবারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
গত মন্ত্রিসভায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক দলগুলো থেকে মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু; শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ; সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন; পানিসম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এবারে আসতে পারেননি মন্ত্রিসভায়।
কেবল পূর্ণ মন্ত্রী নয়, প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যেও বড় একটি অংশ এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। তাদের সংখ্যা ৯ জন। আগের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়া প্রতিমন্ত্রীরা হলেন- যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার; শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক (চুন্নু); জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বেগম ইসমাত আরা সাদেক; পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম; বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম; মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম মেহের আফরোজ চুমকি; তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম; স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গাঁ (জাপা) ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। এছাড়া, গত মন্ত্রিসভায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এবারে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
গত মন্ত্রিসভার দুই উপ-মন্ত্রীও এবারের মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন। তারা হলেন- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপ-মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এবং যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক উপ-মন্ত্রী আরিফ খান জয়।

পূর্ণ মন্ত্রী হলেন যারা
নতুন মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীসহ ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী, ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী ও তিন জন উপমন্ত্রী থাকছেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সোমবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় বঙ্গভবনে শপথ নেবেন মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া এই সদস্যরা।

রোববার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে থাকছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বাকিরা হলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ুমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দীন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়কমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, রেলমন্ত্রী মো. নুরুল ইসলাম সুজন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

মন্ত্রিসভার ২৭ জনই নতুন
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের প্রবীণদের অধিকাংশই জায়গা হারিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভায় অর্ধেকেরও বেশি আসছে নতুন মুখ।
নতুন মন্ত্রিসভায় যে ৪৭ জনের নাম এসেছে, তাদের ২৭ জন এবারই প্রথম মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন। এছাড়া ২০০৯ সালের মন্ত্রিসভার চারজনকেও আবার ফিরিয়ে এনেছেন শেখ হাসিনা।

কুমিল্লা-৯ আসন থেকে নির্বাচিত মো. তাজুল ইসলাম মন্ত্রিসভায় ঢুকছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনি।
তার মতোই সিলেটের সাংসদ এ কে আবদুল মোমেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন, বিদায়ী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ভাই মোমেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন টিপু মুনশি, রংপুর-৪ আসনের এই সাংসদের বিভিন্ন ব্যবসা রয়েছে। বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি টিপু মুনশি এর আগে একটি সংসদীয় কমিটিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
নতুন শিল্পমন্ত্রী হচ্ছেন নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, নরসিংদী-৪ আসনের এই সাংসদ যুবলীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জের সাংসদ গোলাম দস্তগীর গাজী পাচ্ছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। খেতাবপ্রাপ্ত এই মুক্তিযোদ্ধা গাজী গ্রুপের মালিক, যাদের বিভিন্ন ব্যবসার পাশাপাশি টেলিভিশনও রয়েছে।
খাদ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সাধন চন্দ্র মজুমদার, নওগাঁ-১ আসন থেকে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শ ম রেজাউল করিম হচ্ছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী। পিরোজপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত রেজাউল করিম আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আইন বিষয়ক সম্পাদক। আইনজীবীদের বিভিন্ন ফোরামের নির্বাচন ও কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন মৌলভীবাজারের আওয়ামী লীগ নেতা মো. শাহাব উদ্দিন। এছাড়া রেলমন্ত্রী হচ্ছেন নুরুল ইসলাম সুজন, পঞ্চগড় আওয়ামী লীগের এই নেতা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন।
নতুন মন্ত্রিসভায় ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ১৫ জনই নতুন। তারা হলেন- শিল্প মন্ত্রণালয়ে কামাল আহমেদ মজুমদার, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ইমরান আহমাদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে জাহিদ আহসান রাসেল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আশরাফ আলী খান খসরু, নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা জাকির হোসেন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ফরহাদ হোসেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে স্বপন ভট্টাচার্য, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জাহিদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মুরাদ হাসান, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে শরীফ আহমেদ, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে কে এম খালিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে এনামুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মাহবুব আলী, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন খুলনার মুন্নুজান সুফিয়ান, যিনি ২০০৯ সালের সরকারেও এই দায়িত্বে ছিলেন।
মন্ত্রিসভার তিন উপমন্ত্রীই এবার প্রথম মন্ত্রিসভায় এসেছেন। তারা হলেন- খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেকের স্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়) এবং আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম (পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়) এবং মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (শিক্ষা মন্ত্রণালয়)।

মন্ত্রীসভার তালিকা ও মন্ত্রণালয় 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা, সশস্ত্র বাহিনী, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: আ ক ম মোজাম্মেল হক

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়: ওবায়দুল কাদের

কৃষি মন্ত্রণালয়: আবদুর রাজ্জাক

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: আসাদুজ্জামান খান কামাল

তথ্য মন্ত্রণালয়: হাছান মাহমুদ

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: আনিসুল হক

অর্থ মন্ত্রণালয়: আ হ ম মুস্তফা কামাল

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: তাজুল ইসলাম

শিক্ষা মন্ত্রণালয়: দীপু মনি

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: এ কে আবদুল মোমেন

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: এম এ মান্নান

শিল্প মন্ত্রণালয়: নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: গোলাম দস্তগীর গাজী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: জাহিদ মালেক

খাদ্য মন্ত্রণালয়: সাধন চন্দ্র মজুমদার

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়: টিপু মুনশি

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: নুরুজ্জামান আহমেদ

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: শ ম রেজাউল করিম

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়: শাহাব উদ্দিন

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: বীর বাহাদুর উ শৈ সিং

ভূমি মন্ত্রণালয়: সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ

রেলপথ মন্ত্রণালয়: নুরুল ইসলাম সুজন

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: ইয়াফেস ওসমান (টেকনোক্রেট)

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: মোস্তাফা জব্বার (টেকনোক্রেট)

প্রতিমন্ত্রী

শিল্প মন্ত্রণালয়: কামাল আহমেদ মজুমদার

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: ইমরান আহমেদ চৌধুরী

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: জাহিদ আহসান রাসেল

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়: নসরুল হামিদ বিপু

মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়: আশরাফ আলী খান খসরু

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়: মুন্নুজান সুফিয়ান

নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়: খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়: জাকির হোসেন

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: শাহরিয়ার আলম

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: জুনাইদ আহমেদ পলক

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: ফরহাদ হোসেন

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: স্বপন ভট্টাচার্য্য

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়: জাহিদ ফারুক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: মুরাদ হাসান

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: শরীফ আহমেদ

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়: কে এম খালিদ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়: এনামুর রহমান

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: মাহবুব আলী

ধর্ম বিষয় মন্ত্রণালয়ে শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ( টেকনোক্রেট)

উপমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে হাবিবুন নাহার

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে এ কে এম এনামুল হক শামীম

শিক্ষা মন্ত্রণালয় মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল

SHARE