ট্রাম্পের সফরের সমালোচনায় ইরাকের আইন প্রণেতারা

সমাজের কথা ডেস্ক॥ মার্কিন সেনাদের সঙ্গে দেখা করতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হঠাৎ ইরাক সফরের সমালোচনা করেছেন ইরাকি রাজনৈতিক ও মিলিশিয়া নেতারা।

ট্রাম্পের বুধবারের ওই সফরকে ইরাকের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন অভিহিত করে এর নিন্দা জানিয়েছেন তারা, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

ইরাকি আইনপ্রণেতারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প ও ইরাকি প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দুল মাহদির মধ্যে বৈঠক কোথায় হবে তা নিয়ে দুপক্ষের মতভেদের কারণে সেটি বাতিল করা হয়েছে।

ইরাকি পার্লামেন্টের ইসলাহ ব্লকের নেতা সাবাহ সাদি পার্লামেন্টের জরুরী অধিবেশনের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “ইরাকের সার্বভৌমত্বের এই স্পষ্ট লঙ্ঘন নিয়ে এবং ট্রাম্প, যার নিজের সীমা সম্পর্কে জানা উচিত, তার এসব আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ থামাতে আলোচনার জন্য অধিবেশনে বসা দরকার। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের দখলদারিত্বের দিন শেষ হয়েছে।”

ইরাকের জনপ্রিয় শিয়া ইমাম মোকতাদা আল সদর ইসলাহ ব্লকের প্রধান। সদর দীর্ঘদিন ধরে ইরাকে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছেন।

পার্লামেন্টে ইসলাহ’র প্রতিদ্বন্দ্বী এবং ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া নেতা হাদি আল আমিরির নেতৃত্বাধীন বিনা ব্লকও ইরাকে ট্রাম্পের সফরের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে বিনা বলেছে, “ট্রাম্পের সফর কূটনৈতিক শিষ্টাচারের চরম ও পরিষ্কার লঙ্ঘন, এর মাধ্যমে ইরাক সরকারের প্রতি তার অবজ্ঞা ও শত্রুতা প্রকাশ পেয়েছে।”

এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মাহদির দপ্তর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওই সফর সম্পর্কে ইরাকের নেতৃত্বকে সময়ের আগেই জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরাকি প্রধানমন্ত্রী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট টেলিফোনে কথা বলেছেন ‘কারণ কীভাবে বৈঠক পরিচালনা হবে তা নিয়ে মতভেদ তৈরি হয়েছিল’।
ইরাকি আইনপ্রণেতারা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তাদের পরিকল্পিত বৈঠক কোথায় হবে তা নিয়ে দুই নেতার মতভেদ হয়েছিল, ট্রাম্প আইন আল আসাদ সামরিক ঘাঁটিতে বৈঠকটি করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু এই প্রস্তাবে রাজি হননি আব্দুল মাহদি।

শেয়ার