মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় নবীন প্রবীণে লড়াই

মশিউর রহমান মাসুম, মোরেলগঞ্জ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-৪, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা আসনে প্রবীণ ও নবীনের মধ্যে লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বয়বৃদ্ধ ও হেভিওয়েট প্রার্থী ডা. মোজাম্মেল হোসেন। অপরদিকে বিএনপির নমিনেশন পেয়েছেন তরুণ নেতা কাজী খায়রুজ্জামান শিপন।
ডা. মোজাম্মেল হোসেন মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা আসনে ৩ বার ও বাগেরহাট-১, ফকিরহাট-চিতলমারী আসনে একবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ’৯৬সালে প্রতিমন্ত্রীও হন তিনি। অভ্যন্তরীণ কলহের কারণে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে জামায়াতের হাতে চলে যায় এ আসনটি। ডা. মোজাম্মেল হোসেন বাগেরহাট জেলা আ. লীগের একটানা ৩৬বছর ধরে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তার বয়স প্রায় ৮০ বছর।
বর্ষীয়ান এই নেতা বার্ধক্যের ভার সামলে নিয়ে রাজনীতির মাঠে বেশ সরব থাকলেও দলীয় গ্রুপিং তাকে অনেক কাবু করে রেখেছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনেও নিজ দলীয় অপর দুই নেতার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হন তিনি। এবারের নির্বাচনেও দলীয় নমিনেশন ফর্ম কিনেছিলেন ৬/৭জন নেতা। তবে এ বিরোধের পরেও ডা. মোজাম্মেল হোসেন অনেক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে মনে করেন।
অপরদিকে ’৯৬ সালের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী একবার মাত্র এমপি হয়েছিল। এরপরে, এবারের নির্বাচনেই দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করলো বিএনপি। বাগেরহাট জেলা বিএনপির সহসভাপতি কাজী খায়রুজ্জামান শিপন এবার দলীয় নমিনেশন পেয়েছেন। লড়বেন ধানের শীষ নিয়ে। ৮৪/৮৫সালে ছাত্র ইউনিয়ন থেকে রাজনীতিতে তার হাতে খড়ি। পরে ছাত্রদল, যুবদল হয়ে পৌছান বিএনপিতে। তরুণ এ নেতা ইতোপূর্বে কখনো জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। তবে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন। তাদের সুখে, দুখে পাশেও থেকেছেন। ১/১১’র দুঃসময়েও দলীয় নেতাকর্মীদের খোজ রেখেছেন তিনি।
কাজী শিপনের মতে, ‘আসছে নির্বাচনে যার ভোট সে যদি দিতে পারে তাহলে, অনেক ব্যবধানে জয়লাভ করবে ধানের শীষ’।

SHARE