রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ডাকতে মানা ইসির

সমাজের কথা ডেস্ক॥ নির্বাচন কমিশন ছাড়া কোনো মন্ত্রণালয় যাতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ডেকে নিয়ে সভা না করে, সেজন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নির্দেশনা পাঠানো হচ্ছে।
বিএনপির অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে দুজন বিভাগীয় কমিশনার ও ৬৪ জন জেলা প্রশাসক রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করবেন।
বিএনপি মঙ্গলবার ইসিতে পাঠানো একটি চিঠিতে অভিযোগ করে, গত ১৩ নভেম্বর এই রিটার্নিং কর্মকর্তারা ইসির নির্দেশনামূলক সভায় অংশ নেওয়ার পর তাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ‘ডেকে নিয়ে ব্রিফিং করা হয়েছিল’।
এ ধরনের আচরণ সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিরাট অন্তরায় উল্লেখ করে চিঠিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’য়ের জন্য অশনি সংকেত।
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে নেওয়ার খবর ইসির গোচরে নেই বলে সাংবাদিকদের জানান ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।
তিনি সেই সঙ্গে বলেন, “আজ (মঙ্গলবার) কমিশন একটি নির্দেশনা দিয়েছে। সবগুলো বিষয় মিলে সরকারকে একটা পত্র দেব। সিদ্ধান্ত হয়েছে, পত্রপত্রিকায় বা (যেসব) অভিযোগ আসছে, তা যেন ভবিষ্যতে আর না করা হয়।”
তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রশাসন ইসির অধীনে থাকায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান হেলালুদ্দীন আহমদ।
তিনি বলেন, “রিটার্নিং অফিসার যেহেতু ইসির অধীন; সুতরাং তাদেরকে যাতে অন্য কোনোভাবে ডেকে সভা না করা হয়, এগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কনসার্ন সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও অন্যান্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেব।”

SHARE