তারেকে আপত্তি যুক্তরাজ্যের

সমাজের কথা ডেস্ক॥ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ও গণফোরাম নেতা ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক। সোমবার সন্ধ্যায় তাঁদের সাক্ষাৎ হয়। ড. কামাল ও অ্যালিসন ব্লেকের মধ্যে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক চলে। ওই বৈঠকেই তারেক জিয়ার হঠাৎ স্কাইপে যোগাযোগ ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার।
ড. কামালকে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার প্রশ্ন করেন, মনোনয়নে তারেক কেন? বিএনপির মনোনয়ন সাক্ষাৎকারে তারেক জিয়ার উপস্থিতি কি সত্যিই প্রয়োজন ছিল? একই সঙ্গে এই বিষয়ে কোনো আইনগত সমস্যা হবে কিনা তাও ড. কামালের কাছে জানতে চান যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার।
যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক ড. কামালকে বলেন, তারেক জিয়া বাংলাদেশের নাগরিক হলেও বর্তমানে যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন। সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা কোনো ব্যক্তিকে কিছু সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকতে হয়। তাঁকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দেখা যাওয়া এবং বিএনপির মনোনয়ন প্রদানের মাধ্যমে একটি ভুল বার্তা যাচ্ছে জনগণের কাছে।
এছাড়া তারেক যেহেতু যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয়ে আছেন, তাই যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার ড. কামাল হোসেনকে অনুরোধ করেন, তারেক জিয়ার ভিডিও সাক্ষাৎকারের বিষয়টি নিয়ে ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে যেন আলোচনা করা হয়। যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের মতে, বিষয়টি শুধু ঐক্যফ্রন্টের জন্যই খারাপ নয়। এটি যুক্তরাজ্যের জন্য আপত্তিকর, কারণ যুক্তরাজ্য সরকার যে নীতিতে একজনকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয় তারেকের কর্মকা- এর পরিপন্থী।
তারেকের বিষয়ে যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনারের কাছে ড. কামাল নিজেও অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আর হাইকমিশনার যে বার্তা দিলেন সেটি নিয়েও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দেন ড. কামাল।

SHARE