মণিরামপুরে এলকোহল পানে তিনজনের মৃত্যু হলেও বিক্রেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে

নিজস্ব প্রতিবেদক, মণিরামপুর ॥ যশোরের মণিরামপুরে হোমিওপ্যাথিক ঔষুধের দোকান থেকে কেনা এলকোহল পানে ৩ জনের মৃত্যু ঘটনায় বিক্রেতা এখনো রয়েছে ধরা ছোঁয়ার বাইরে। দুর্গা পূজার দশমীর দিনে ১জন ও কালি পূজার রাতে ২ জনের মৃত্যু হয়। এলকোহল পানে আরো ৪ জন অসুস্থ হয়ে পড়ে। দুর্গা পূজার দশমীর রাতে মারা যায় উপজেলার ঢাকুরিয়া এলাকার মেহেদী হাসান (২৩) নামের এক কলেজ ছাত্র। ওই সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে একই এলাকার শান্ত চক্রবর্তী, সাধন চক্রবর্তী, উৎপাল বিশ্বাস (২৩) ও দেব রায় (২৪)। গত ৮ নভেম্বর কালীপূজার রাতে মারা যায় উপজেলার উপজেলার খড়িঞ্চী গ্রামের কল্পতরু সরকারের ছেলে পলাশ সরকার (৩৫) এবং একই উপজেলার নলঘোনা গ্রামের জীবন মন্ডলের ছেলে পবিত্র মন্ডল (২৮)। এদের অধিকাংশই ঢাকুরিয়া বাজারের মহসীর আলী নামের এক হোমিও চিকিৎসকের দোকান থেকে এলকোহল ভর্তি বোতল কিনেছিলো বলে অসুস্থ্য হয়ে পড়া উৎপাল বিশ্বাস নিশ্চিত করেন।
উৎপাল বিশ্বাস জানান, দশমীর দিনে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার ঢাকুরিয়া বাজারের হোমিও চিকিৎসক মহসীন আলীর দোকান থেকে ১শ’ ৪০ টাকা দিয়ে প্রথমে ৩টি এলকোহল ভর্তি বোতল কিনে। ১৫/২০ মিনিট পর আরো ২টি এ্যালকোহল এলকোহল ভর্তি বোতল কেনা হয়। এরপর ৬ জন মিলে তা পান করে। এরমধ্যে মেহেদী তাৎক্ষণিক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বাড়িতে রেখে আসা হয়। পরে জানতে পারে মেহেদী মারা গেছে। এরপরই সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে তারা সুস্থ হয়ে উঠেছে।
এ ব্যাপরে হোমিও চিকিৎসক মহসীন আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি এসব বিক্রি করেন না।
জানতে চাইলে মণিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

SHARE