মিরপুরের উইকেট নিয়ে ধন্দে মাহমুদউল্লাহ-মাসাকাদজা

সমাজের কথা ডেস্ক॥ দেশের মূল ক্রিকেট ভেন্যু মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেট এখনও বুঝে উঠতে পারেননি মাহমুদউল্লাহ। দ্বিতীয় টেস্টের উইকেট কেমন আচরণ করবে তা নিয়ে সংশয়ে হ্যামিল্টন মাসাকাদজাও। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক মনে করেন, কখনও কখনও গ্রাউন্ডসম্যানরাও মিরপুরের উইকেট বুঝে উঠতে পারেন না।
রোববার মিরপুরে শুরু হবে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। তার আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ জানান, আগে থেকেই উইকেট নিয়ে কোনো অনুমান না করে মাথা ফাঁকা রেখে খেলতে নামবেন তারা।
“মিরপুরের উইকেট সবসময়ই অননুমেয় থাকে। আপনি যা প্রত্যাশা করবেন তা না পেলে যেমন উইকেট পাবেন তার সঙ্গে আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে। তাই আমরা এই ম্যাচে খেলব মাথা শূন্য করে। পিচ কন্ডিশন যেমন হবে সেই অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করব।”
মিরপুরে অনেক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশ অধিনায়কের ধারণা, রানের জন্য সংগ্রাম করতে হবে ব্যাটসম্যানদের।
“উইকেট মন্থর হলে রান করা একটু কঠিন হয়। কষ্ট করে রান করতে হয়। এখানকার উইকেট এমন না যে, বল ব্যাটে আসবে আর আপনি শট খেলতে পারবেন। বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং করতে হবে এখানে। একেক বোলারের জন্য আপনার শক্তি অনুযায়ী একেক শট খেলতে হবে।”
সাকিব আল হাসান না থাকায় এমনিতেই ভারসাম্য নেই বাংলাদেশের একাদশে। অননুমেয় উইকেট স্বাগতিকদের একাদশ সাজানোর কাজটা করে তুলেছে অনেক কঠিন।
“উইকেট যখন অননুমেয় থাকে তখন সম্ভবত একাদশও অননুমেয় হয়ে পড়ে। কৌশলগত দিক থেকে এখানে কিছু পরিবর্তন থাকবে।”
উইকেট কেমন আচরণ করবে তা নিয়ে নিশ্চিত নন মাসাকাদজা। তবে জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক নিশ্চিত এই উইকেটে ফল হবেই।
“মিরপুরের উইকেট সব সময় একটু অদ্ভুত। আপনি কখনও অনুমান করতে পারবেন না পিচ কেমন আচরণ করবে। আমার মনে হয়, কখনও কখনও গ্রাউন্ডসম্যানরাও বুঝে উঠতে পারে না উইকেটের আচরণ করবে। পিচ দেখে শুষ্ক মনে হয়েছে। আমরা ওয়ানডেতে যেমন উইকেটে খেলেছি তেমনটাই মনে হচ্ছে। আশা করছি, একই ধরনের উইকেটে খেলতে হবে।”
“আমার মনে হয় না, এই উইকেট কাউকে বাড়তি সুবিধা দেবে। প্রথম টেস্টে আমরা যেমন উইকেটে খেলেছি সেটার সঙ্গে খুব বেশি পরিবর্তন থাকবে বলে মনে হয় না। তাই আমি মনে করি না খুব দ্রুত স্কোর করতে হবে। কিন্তু স্কোর বোর্ডে রান তোলা খুব জরুরি কারণ, এখানে উইকেট অবশ্যই ফলাফল হওয়ার মতো।”

SHARE