ঝাউদিয়ায় জাহিদ ও আখতারের বিরুদ্ধে ডাক্তার সেজে প্রতারণার অভিযোগ

মাসুদুজ্জামান লতা, চুড়ামনকাটি (যশোর) থেকে॥ যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ঝাউদিয়া বাজারে জাহিদ হাসান ও আখতার হোসেন হঠাৎ করে ডাক্তার সেজে সর্বরোগর চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের প্রতারণা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনাও চলছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঝাউদিয়া বাজারে একটি দোকান রয়েছে। তার নাম জাহিদ টেলিকম এন্ড মেডিকল হল। এক দোকানে বসেই তিনি চিকিৎসা প্রদানের পাশাপাশি ছবি তোলা, ছবি ওয়াশ করা, ফটোকপি করা, মোবাইল যন্ত্রাংশ ও ইলেক্ট্রিক মালামাল বিক্রি করেন। জাহিদ হাসান ঝাউদিয়া গ্রামের পশ্চিমপাড়ার শফিকুল ইসলামের ছেলে। একই বাজারে নলডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল মুজিদ বিশ্বাসের ছেলে আখতার হোসেনের সাইনবোর্ড বিহীন একটি দোকানঘর রয়েছে। দোকানের একপাশে রয়েছে স্যালাই মেশিন ও তৈরিকৃত বিভিন্ন পোশাক। র‌্যাকে সাজানো আছে নানা ধরনের ওষুধ। চেয়ারে বসে রোগী চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন আখতার। অভিযোগ উঠেছে, ভুয়া ডাক্তার জাহিদ ও আখতার প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চিকিৎসার নামে মানুষের সাথে প্রতারণা করছেন। তার এখানে আসা অধিকাংশ রোগী হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের নারীরা। এলাকাবাসী তাদের দুইজনকে হঠাৎ ডাক্তার হিসেবে চেনেন। এই ব্যাপারে জাহিদ হাসান জানান, তিনি পি.এল.এম.এফ নামে ১ বছরের একটি শর্টকোর্স করেছেন। এজন্য তিনি চিকিৎসা কেন্দ্র খুলে বসেছেন। আরেকজন আখতার হোসেন জানিয়েছেন, গত বছর তিনি আত্মমানবতা উন্নয়ন সংস্থা থেকে থেকে প্রি- পিএমসি কোর্স করে সনদপত্র পেয়েছেন। এরপর থেকে দর্জির কাজের পাশাপাশি ডাক্তারি করছেন। এই ব্যাপারে যশোর সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমদাদুল হক রাজু জানিয়েছেন, ভুয়া ডা. জাহিদ হাসান ও আখতারের প্রতারণার বিষয়টি সরেজমিন খোঁজ নিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার