আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলাবেন নতুন কোচ


সমাজের কথা ডেস্ক॥ প্রথমবারের মতো কোনো জাতীয় দলের দায়িত্ব পেয়ে দারুণ রোমাঞ্চিত বাংলাদেশের ফুটবলের নতুন কোচ জেমি ডে। জানিয়েছেন, তার অধীনে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে বাংলাদেশ।

এশিয়ান গেমস ও সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে সামনে রেখে ব্রিটিশ কোচ জেমির ডের সঙ্গে এক বছরের চুক্তি করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বুধবার বাফুফেতে এসে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন ৩৮ বছর বয়সী এই কোচ।

“সামনে যে চ্যালেঞ্জ আছে তার জন্য আমি ও সহকারী কোচ স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস উন্মুখ হয়ে আছি। আমরা জানি, এটা চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে, আমরা রাতারাতি সবকিছু বদলে দিতে পারব না বা মাসখানেকের মধ্যে সেরা দলও গড়তে পারব না। সেরা দল গড়তে হলে আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।”

“বাংলাদেশকে আগের চেয়ে ভালো দল বানানোর কাজটা মূলত খেলোয়াড়দের করতে হবে। আমরা এসেছি আমাদের সর্বোচ্চ পরিশ্রমটুকু দেওয়ার জন্য। একটা নিশ্চয়তা দিতে পারি বাংলাদেশকে ভালো দল হিসেবে তৈরি করতে আমরা সম্ভাব্য সেরা উপায়ে শতভাগ দিব। আমি মনে করি, সাফের সেমি-ফাইনালে ওঠা আমাদের জন্য চমৎকার হবে।”

“আমি আক্রমণাত্মক খেলে গোল করতে এবং জিততে পছন্দ করি। কখনই ড্রয়ের জন্য আমি খেলব না; রক্ষণাত্মকও খেলব না। হ্যাঁ, আমাদের রক্ষণ সামলাতে হবে কিন্তু সেটাও আক্রমণাত্মক খেলার কৌশলের মধ্যে দিয়ে। আমি চাই, আমাদের খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষকে চাপ দিবে, বলের নিয়ন্ত্রণে আত্মবিশ্বাসী থাকবে, গোলের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং গোল করবে।”

ঈদের ছুটি কাটিয়ে বুধবার বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) চলা ক্যাম্পে ফিরবেন মামুনুল-জাফররা। ডে কাজ শুরু করবেন বৃহস্পতিবার থেকে। আগামী অগাস্টে শুরু হবে এশিয়ান গেমস ও অক্টোবরে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ। এ দুটি টুর্নামেন্ট সামনে রেখে আগামী মাসে কাতারে ক্যাম্প করার কথা জানান ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ।

সহকারী কোচ হিসেবে ৫২ বছর বয়সী ওয়াটকিসকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন ডে। ভারত এফসির কোচ হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা ওয়াটকিস প্রতিশ্রুতি দিলেন ব্যক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে দলকে ভালো অবস্থানে নেওয়ার।

“আমরা এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাই যেখানে খেলোয়াড়রা কঠোর পরিশ্রম উপভোগ করবে। আমাদের সামনে যে প্রতিযোগিতাগুলো আছে, সেগুলোর প্রস্তুতি নিয়ে আমরা সচেতন আছি। আমরা খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে বাড়ানোর মাধ্যমে দলীয় উন্নতির দিকে দৃষ্টি দিব।”

শেয়ার