চার লেন হচ্ছে মণিহার-মুড়লি সড়ক

# ডিপিপি প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ

সালমান হাসান
দক্ষিণ অঞ্চলের কয়েকটি ব্যস্ততম মহাসড়ক এসে যুক্ত হয়েছে যশোর শহরের মুড়লি মোড় বাইপাসে। কয়েক হাজার বাস ট্রাকের পাশাপাশি বাইপাসটি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ছোটখাট যানবাহন চলাচল করে। ফলে তুলনামুলক কম প্রশস্থের বাইপাসটিতে তীব্র যানজট লেগেই থাকে। তবে বাইপাসটিতে যানবাহন চলাচলের স্বাচ্ছন্দ্য আনতে চার লেন করার উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের যশোর কার্যালয় সূত্র জানায়, শহরের মণিহার মোড় থেকে মুড়লি পর্যন্ত ২ দশমিক ৪ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার জন্য মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন মিললে সড়কটির প্রশস্থতা বাড়িয়ে চার লেনে রূপান্তর করা হবে। যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৫ কোটি টাকা। সূত্র মতে, প্রস্তাবিত চার লেনটির দুই পাশে পানি নিষ্কাশনের জন্য ৫ ফুট প্রশস্থ ড্রেন নির্মাণ করা হবে। ড্রেনের উপর দিয়ে হাঁটাচলার জন্য ফুটপাত থাকবে। চার লেনের সড়কটি ৬৪ ফুট প্রশস্থ হবে। ড্রেন-ফুটপাতসহ সড়কটির প্রশস্থতা হবে ২৩ দশমিক ৬০ মিটার অর্থাৎ ৭৭ ফুট। সূত্র মতে, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, খুলনাসহ যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের কানেকটিং রোড মুড়লি বাইপাস। যে কারণে এখানে প্রচুর সংখ্যক যানবাহনের চাপ থাকে। পাশাপাশি সড়কটির অবস্থান যশোর শহরের মধ্যে হওয়ায় রিকসা, ভ্যান, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সড়কটির প্রশস্থতা কম থাকায় যাববাহন স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারে না। ফলে যানজট লেগেই থাকে। যে কারণে ন্যাশনাল হাইওয়ের স্টান্ডার্ডে সড়কটি চার লেন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সড়কটি চার লেনে রূপান্তরের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো ডিপিপি (ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) প্রস্তুত করেছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের যশোরের উপ-বিভাগ-২ এর প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফেরদৌস। তিনি জানান, ৬৪ ফুট প্রশস্থ চার লেনের সড়কে ১০ ফুটের একটি রোড ডিভাইডার (সড়ক বিভাজক) থাকবে। যেটি সড়কটিকে ৩২ ফুটের পৃথক দুইটি অংশে বিভক্ত করবে। রোড ডিভাইডারের (সড়ক বিভাজকের) একেক পাশের ৩২ ফুট দুই লেন হিসেবে ব্যবহৃত হবে। পেইন্ট দিয়ে রোড মার্কিং করে পৃথক লেন চিহ্নিত করা হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের যশোর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেছেন, মণিহার মোড় থেকে মুড়লি পর্যন্ত ২ দশমিক ৪ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার জন্য পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। সড়কটি চার লেনে উন্নীত করার জন্য একটি ডিপিপি (ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললে চার লেন নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।

 

শেয়ার