যশোরে টিপু সুলতানের খুনিরা আটক হয়নি, মামলা ডিবিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে সিঙাড়ি-পুরির দোকানদার টিপু সুলতানের খুনিরা তিনদিনেও আটক হয়নি। তবে জড়িতদের পাকড়াও করতে মাঠে নেমেছে ডিবি পুলিশ। এ খুনের নেতৃত্ব দেয়া ম্যানসেলসহ তার অনুসারীরা এলাকায় রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করলেও পুলিশ তাদের খুঁজে পাচ্ছে না। গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে শহরের টিবি ক্লিনিক মোড়ে টিপুকে গুলি করে খুন করা হয়।
এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, ষষ্ঠীতলার আলমাস হোসেনের ছেলে বাহিনী প্রধান মেহেবুব আলম ম্যানসেল সহযোগী সন্ত্রাসীদের নিয়ে এলাকায় খুন খারাবি, অস্ত্র-মাদক ব্যবসা, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও বোমাবাজিসহ নানা অপকর্ম চালিয়ে আসছে। ম্যানসেলের সহযোগী রয়েছে ৪৬ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি শিশির ঘোষ, শংকরপুরের ভাইপো রাকিব, হিটার নয়ন, ফয়সাল, জাফর, জাহিদ, অভি, রাব্বি, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার সাগর ও রমজানসহ অন্তত ডজন দুই সন্ত্রাসী রয়েছে। তারা সদগস্যরা শংকরপুর মুরগি ফার্মগেট, রেল বাজার, মুজিব সড়ক রেলগেট, রেলগেট পশ্চিমপাড়া, ষষ্ঠীতলা, আশ্রম রোড, শংকরপুর টার্মিনাল, চাঁচড়া চেকপোস্টসহ বিভিন্ন এলাকা দাঁপিয়ে বেড়ায়। গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে ম্যানসেল বাহিনীর শুভ ও শিশিরসহ কয়েকজন টিবি ক্লিনিক মোড়ে সিঙাড়া পুরির দোকান্দার টিপু সুলতানকে গুলি করে হত্যা করে। এঘটনার পরই তারা ষষ্ঠীতলা ফরিদ হোসেনের বাড়ি ভাংচুর ও কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতংক সৃষ্টি করে। ওইদিন রাতে শুভ ও শিশির ঘোষের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৬/৭জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানার এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা করেন। গত তিনদিনে কোন খুনি আটক হয়নি। ফলে সোমবার মামলাটি তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের উপর ন্যস্ত করেন উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আর মামলার নথি হাতে পেয়েই খুনিদের পাকড়াও করতে মাঠে নেমেছে ডিবি পুলিশ। এর আগে ম্যাসেলসহ খুনিরা এলাকায় থাকলেও মামলার তদন্ত ডিবিতে চলে যাওয়ার খবরে গা-ঢাকা দিতে শুরু করেছে। এদিকে খুনিরা আটক ন্যায় বিচার পাবেন কিনা এ নিয়ে সংশয় পোষণ করেছে নিহতের পরিবার।
মামলার নতুন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই আবুল খায়ের মোল্যা জানিয়েছেন, নথি হাতে পেয়ে খুনিদের নাম-ঠিকানা যাচাই এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে খেঁঅজ খবর নেয়া হচ্ছে। অচিরেই খুনিদের আটক করে বিচারের আওতায় আনা হবে।

শেয়ার