তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি পানগুছি নদীতে নিখোঁজ খুলনার যুবলীগ নেতা সবুজের

মশিউর রহমান মাসুম, মোরেলগঞ্জ॥ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পানগুছি নদীতে নিখোঁজ হওয়া খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২০নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুজ্জামান সবুজের (৩২) তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি। তার খোঁজ সোমবার সকাল থেকে আবারো পানগুছি নদীতে টহল শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ও তার স্বজনেরা।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সবুজ ও তার বন্ধু খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(কেডিএ)’র সার্ভেয়ার সামছুল আরেফিন রনি(৩৪)কে মারপিট ও ছুরিকাঘাত করে মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীতে ফেলে দেয় একদল যুবক। ঘটনার দিন সার্ভেয়ার রনি ও সবুজ হাসান নামে এক যুবকের নিমন্ত্রনে একটি ভবনের ডিজাইন করে দেওয়ার জন্য মোরেলগঞ্জের সোলমবাড়িয়া ফেরিঘাট থেকে একটি রিজার্ভ ট্রলারে সন্ন্যাসী যাচ্ছিলেন! মাঝ নদীতে ট্রলারে থাকা ৭ যুবক রনি ও সবুজকে আকস্মিকভাবে মারপিট ও ছুরিকাঘাত করে নদীতে ফেলে দেয়।
ওই সময় রনির ডাক চিৎকারে মোরেলগঞ্জের গাবতলা এলাকার ট্রলার চালকরা তাকে উদ্ধার করলেও ডুবে যায় সবুজ। খবর পেয়ে ইন্দুরকানি উপজেলার বালিপাড়া ফাঁড়ি পুলিশ ট্রলারসহ ৭ যুবককে আটক করে। নিখোঁজ সবুজের আড়াই বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত বলে জানা গেছে। এদিকে এই ঘটনায় রবিবার খুলনার সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় অপহরণ ও চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন আহত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া রনির মামা মল্লিক আবিদ হোসেন কবির। মামল নং-৩৮।
এ ব্যাপারে সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মমতাজুল হক জানান, এই ঘটনার সাথে জড়িত ছদ্দনামধারী হাসানসহ আটক হওয়া ৭ যুবককে ইন্দুরকানি থানা থেকে খুলনায় নিয়ে আসা হয়েছে। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই জেল্লাল হোসেন জানান, সোমবার ওই ৭ জনকে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে কোর্টে সোপর্দ করা হয়েছে।

শেয়ার