সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণের কাজ শুরু

সমাজের কথা ডেস্ক॥ একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৩০০ আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।
এ লক্ষ্যে পাঁচ বছরে সারা দেশে নতুন করে যেসব প্রশাসনিক এলাকা সৃষ্টি হয়েছে এবং বিয়োজন-সংকোচন হয়েছে সে সংক্রান্ত নথিপত্র জেলা প্রশাসন থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এসব তথ্য চেয়ে ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্মসচিব (চলতি দায়িত্ব) আবুল কাসেম গত সোমবার ৬৪ জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের চিঠি পাঠিয়েছেন।

আগামী বছরের শেষদিকে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সীমানা পুনর্র্নিধারণের জন্য গত ১৬ জুলাই একটি কর্মপরিকল্পনা (রোডম্যাপ) ঘোষণা করেছিল নির্বাচন কমিশন।

সে অনুযায়ী চলতি ডিসেম্বরে সীমানা পুনর্র্নিধারণের কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে ওই পরিকল্পনা মতো কাজ না হওয়ায় এখন বিদ্যমান আইনের আওতায় সীমানা পুনর্র্নিধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি পরিসংখ্যান ব্যুরো, এলজিইডি ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম।

জানতে চাইলে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নতুন আইন হোক বা বিদ্যমান অধ্যাদেশ হোক-আমাদের সীমানা পুনর্র্নিধারণ করতে হবে। এজন্য দুটো বিষয় মাথায় রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।

“নতুন আইনের জন্য বসে থাকলাম, কিন্তু তা অনুমোদন হল না বা বিলম্ব হল, তাতে তো কাজ থেমে থাকবে না। তাই বিদ্যমান অধ্যাদেশে করতে গেলেও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যা যা দরকার হবে দ্রুত কাজ করার প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে।”

ইসি সচিবালয় কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার অন্তত ছয় মাস আগেই সীমানা নির্ধারণের গেজেট প্রকাশ করতে হয়। নতুন আইনের অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকলে এটা করা সম্ভব হবে না। ফলে নির্বাচন অনুষ্ঠান অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসির আইন সংস্কার কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম গেল সপ্তাহে সাংবাদিকদের বলেন, “আইনটা হতে অনেক সময় লাগবে। সীমানা নির্ধারণের একটা নির্ধারিত সময় আছে। খসড়াটাই আমরা এখন পর্যন্ত করতে পারিনি। সুতরাং আমি এখনি বলতে পারছি না যে, নতুন আইনে হবে। অর্ডিন্যান্স যেটা আছে, হয়ত আমাদের এক্সিস্টিং ল’য়ের ওপরই ডিপেন্ড করতে হবে।”

শেয়ার