বর্ণবাদী ব্রৌচ পরে তোপের মুখে ব্রিটিশ প্রিন্সেস

সমাজের কথা ডেস্ক॥ ‘বর্ণবিদ্বেষ’ প্রকাশ করে এমন একটি ব্রৌচ পরে যুক্তরাজ্যের রানীর দেওয়া ভোজে উপস্থিত হওয়ায় পর সমালোচনার মুখে ক্ষমা চেয়েছেন প্রিন্সেস মাইকেল অব কেন্ট।

বিবিসি জানায়, বুধবার বার্কিংহাম প্যালেসে রানী এলিজাবেথ বড়দিনের বার্ষিক ভোজের আয়োজন করেন।

ভোজ শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় প্রিন্সেস মাইকেল অব কেন্টের কোর্টের উপর যে ব্রৌচটি দেখা যায় তা ছিল একটি ‘কৃষ্ণাঙ্গমূর্তি’।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের পঞ্চম উত্তরাধিকারী প্রিন্স হ্যারি ও তার বাগদত্তা মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মর্কেলও ওই ভোজে উপস্থিত ছিলেন।

মেগানের বাবা শেতাঙ্গ হলেও তার মা একজন আফ্রিকান আমেরিকান।

অনলাইনে ‘কৃষ্ণাঙ্গমূর্তি’ ব্রৌচ পরা ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বর্ণবিদ্বেষ প্রকাশ করে এমন গয়না পরার কারণে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়।

পরে প্রিন্সেসের মুখপাত্র বলেন, “ব্রৌচটি তিনি উপহার পেয়েছেন এবং আগে বহুবার সেটি পরেছেন। কেউ এটাতে কষ্ট পেয়ে থাকলে প্রিন্সের মাইকেল অব কেন্ট সেজন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছেন।”

যদিও প্রিন্সেস মাইকেল অব কেন্টের বিরুদ্ধে বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ এটাই প্রথম নয় বলে জানায় দ্য গার্ডিয়ান।

২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে একটি রেস্তোরাঁয় অতিরিক্ত আওয়াজ করা নিয়ে আফ্রিকান আমেরিকান কয়েকজন অতিথির সঙ্গে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তিনি কয়েকবার তাদের ‘কলোনিতে ফিরে যাও’ বলেন।

রানী এলিজাবেথের এক কাজিন ভাইকে বিয়ে করে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য হওয়া প্রিন্সেস মাইকেল অব কেন্টের বাবা অ্যাডলফ হিটলারের এসএস বাহিনীর মেজর ছিলেন।

১৯৪৫ সালে জার্মান অধ্যুষিত সুডেটেনল্যান্ডে (এখন চেক প্রজাতন্ত্রের অংশ) জন্ম নেন বেরোনেস মেরি ক্রিস্টিন ফন রাইবনিৎস।

ইংল্যান্ডের একজন ব্যাংকারের সঙ্গে প্রথমে তার বিয়ে হয়।

১৯৭৮ সালে রানীর ফার্স্ট কাজিন প্রিন্স মাইকেল অব কেন্টকে বিয়ে করেন তিনি।

রাজপরিবারে জন্ম না হওয়ায় তিনি প্রিন্সেস মেরি ক্রিস্টিন নাম নিতে পারেননি।

শেয়ার