খুবি’র স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর যশোর’ রূপরেখা উপস্থাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ শহর হোক সবার এই শ্লোগানকে সামনে রেখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ‘আগামীর যশোর’ রূপরেখা তৈরি করেছেন। দীর্ঘ ৬ মাস ৩৬ শিক্ষার্থী অক্লান্ত পরিশ্রমে তৈরি হয় দাঁড় করেছেন আধুনিক যশোরের ৬টি নগর-দর্শনের ভিন্ন ভিন্ন ৬টি পরিপূর্ণ রূপরেখা। মঙ্গলবার প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে পুরো কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়েছে। আর বুধবার (২০ ডিসেম্বর) যশোরের টাউন হলে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে ‘আগামীর যশোর’ এর উন্মুক্ত প্রদর্শনী।
খুবির সহযোগী অধ্যাপক ড. তপন কুমার ধর বলেন, ভৈরব নদীর কোল ঘেঁষে বেড়ে ওঠা শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রসিদ্ধভূমি যশোরের সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতাকে পর্যালোচনা করে মূলত তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীরা শুরু করে সমন্বিত শহর তৈরির প্রস্তুতি। এই তিনটি বিষয় হল টেকসই যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্মাণ, শহর-ঐতিহ্যের সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার ব্যবস্থাপনার উন্নতি। পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরণের জরিপ এবং বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে প্রস্তাবিত হয় তাদের উদ্ভাবনী শহর নির্মাণ প্রকল্প। এই পুরো প্রক্রিয়াতে যশোরের বিভিন্ন কমিউনিটির মতামত গ্রহণ, নগর কর্তৃপক্ষের নিয়ম-নীতিমালা এবং নগর বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়েছে।
রূপরেখা প্রণয়নকারী খুবি শিক্ষার্থী পাপিয়া ঘোষ, সাদিকুজ্জামান আকাশ, ইমতিয়াজ, আসিফ আহমেদ ও তপতী বিশ্বাস বলেন, ঐতিহ্যের প্রতিটি উপাদানকে সমন্বয় করে মানুষের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হয়েছে ঐতিহাসিক এবং সম্ভাবনাময় যশোরকে। যার প্রতিটি বুননে রয়েছে এর গৌরব গাঁথা, ঐতিহ্য, কৃষ্টি-কালচার। এ রূপরেখায় যশোর শহরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া ভৈরব নদকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার