বসুন্দিয়া আ’লীগ নেতার লাশ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার মিলনের মৃত্যুর কারণ নির্ণয় করতে ৯দিন পর লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিব হাসানের উপস্থিতিতে পদ্মবিলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে লাশ উত্তোলন করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যশোর ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ মতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, সদর উপজেলার পদ্মবিলা গ্রামের বাবু সরদারের ছেলে সরদার মিলন বসুন্দিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। গত ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় শহরের এইচএমএম রোডে দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হন। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। ২৮ নভেম্বর তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এদিকে, শারীরিক চেকআপের জন্য তিনি ৩ ডিসেম্বর ঢাকার উদ্দেশে বাড়ি থেকে যান মিলন। তবে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগেই ৫ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। কিন্তু পুলিশকে না জানিয়ে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক স্বজনরা পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করে। সঠিক মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য গত ৯ ডিসেম্বর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য আদালতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ১১ ডিসেম্বর একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রস্তুতসহ ময়নাতদন্তের জন্য আদেশ দেন অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আকরাম হোসেন। তারই প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তদন্ত কর্মকর্তাসহ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিব হাসানের নেতৃত্বে কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়। পরে এদিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকেই সুরতহাল রিপোর্ট শেষে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত করা হয়। আবার এদিনই স্বজনরা লাশ নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করেন।

শেয়ার