সাফে চ্যাম্পিয়ন হওয়াই লক্ষ্য মেয়েদের

সমাজের কথা ডেস্ক॥ তিন মাসের নিবিড় প্রস্তুতির সন্তুষ্টি আছে। থাইল্যান্ডে খেলে আসা দলের ১১ জনের অভিজ্ঞতাও যোগ হয়েছে। সব মিলিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে বাংলাদেশ দারুণ আশাবাদী। কোচ, খেলোয়াড় সবাই লক্ষ্যের কথা জানাতে প্রত্যয়ী কণ্ঠে বলেছেন-চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে চার দল নিয়ে শুরু হবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসর। স্বাগতিক বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান লড়বে শিরোপার জন্য।
দলসংখ্যা বেশি না হওয়ায় রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে খেলা হবে। সেরা দুই দল মুখোমুখি হবে ফাইনালে। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করবে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে ২৩ জনের দলে দুই নতুন মুখ থাকার কথা জানান কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। জাপান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় হওয়া জেএফএ কাপ থেকে ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহার (ময়মনসিংহ জেলা) ও গোলরক্ষক সাগরিকা (ঠাকুরগাঁও জেলা) ঠাঁই পেয়েছেন দলে।
গত সেপ্টেম্বরে থাইল্যান্ডে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে খেলে আসা দলের ১১ জনই আছেন সাফ মিশনে। নেপালে (২০১৫), তাজিকিস্তানে (২০১৬) হওয়া এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় এই প্রতিপক্ষদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। ছোটন তাই দল নিয়ে দারুণ আশাবাদী। “এ টুর্নামেন্ট সামনে রেখে তিন মাস ধরে আমরা প্রস্তুতির মধ্যে আছি। থাইল্যান্ডে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে যে ২৩ জন খেলেছিল, সেই দলের ১১ জন এই দলে আছে। মেয়েরা খেলার মধ্যে আছে। সবাই মেয়েদের ফুটবল নিয়ে মনোযোগী। আমাদের লক্ষ্য প্রতিটি ম্যাচ জিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া।”
“প্রতিপক্ষ দলগুলো নিয়ে আমার পর্যবেক্ষণ হচ্ছে-এই দলগুলোর বিপক্ষে আমরা আগেও খেলেছি এবং জিতেছি।”

শেয়ার