মোংলায় বিকাশের টাকা নিয়ে উধাও মামলার আসামির পাল্টা মামলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি ॥ মোংলায় বিকাশের ৬০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার প্রায় সাড়ে ৩ বছর পর মালিক হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেছেন কর্মচারী শাহিন। টাকা আত্মসাৎতের ঘটনায় শাহিনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত পৃথক দুইটি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ও দুদক। বিকাশ কর্মচারী শাহিনের দায়ের করা পাল্টা মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেষ্টিগেশন।
পুলিশ ও দুদকে দায়ের হওয়া পৃথক দুটি মামলার নথিপত্র এবং মোংলা এরিয়ার বিকাশ ডিষ্টিবিউটর মেসার্স লাক্সমি ইন্টারন্যাশনালের মালিক হারুন অর রশিদের সাথে কথা বলে জানা যায়, হারুন অর রশিদের কোম্পানীতে কর্মরত বেতনভুক্ত সুপার ভাইজার শাহিন হাওলাদার ২০১৪ সালের ১২ জুন বাগেরহাট ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ৬০ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎতের উদ্দেশ্যে টাকাসহ উধাও হয়। এ ঘটনার পরদিন শাহিনকে আসামি করে বাগেরহাট মডেল থানায় মামলা করেন মালিক হারুন। এ ঘটনায় দুদকও আরো একটি মামলা গ্রহণ করে। মামলা দুইটি তদন্ত করে পুলিশ ও দুদক আদালতে আলাদা অভিযোগপত্র দাখিল করে। ঘটনার প্রায় সাড়ে তিন বছর পর বিকাশ কর্মচারী শাহিন চলতি বছরের ২৬ আগষ্ট বাগেরহাট আদালতে আত্মসমর্পন করে। বিকাশ ডিষ্টিবিউটর মালিক হারুন অর রশিদ বলেন, চার্জশিট হওয়া মামলা দুইটি থেকে বাচার জন্য তার কর্মচারী শাহিন আদালতে আত্মসমার্পনের আগের দিন আদালতে একটি মিথ্যা পাল্টা মামলা করে। তিনি আরো বলেন, টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার পর শাহিন তার পাসপোর্ট (পাসপোর্ট নং এজি-৮৬১৭৩৫৬) ব্যবহার করে একাধিক দেশে ভ্রমণ করেছেন বলে তিনি খোঁজ খবরের মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, প্রশাসন শাহিনের জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সার্চ করলে বিদেশ ভ্রমণের সত্যতা বেরিয়ে আসবে। মালিক হারুনের বিরুদ্ধে শাহিনের আদালতে দায়ের করা মামলা সম্পর্কে পিবিআই’র (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) বাগেরহাটের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম বলেন, মামলাটি সম্পর্কে তদন্ত করার জন্য গত ৩ ডিসেম্বর মোংলায় গিয়েছিলাম এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।

শেয়ার