কপিলমুনিতে বেদখল হচ্ছে কোটি টাকার সরকারী সম্পত্তি, উদ্ধারে নেই উদ্যোগ

খুলনালোকমান হেকিম, কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি॥ কপিলমুনিতে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় বে-দখল হচ্ছে কোটি টাকা মুল্যের সরকারী সম্পত্ত্বি। দিনদুপুরে দখলের এমন ঘটনায় ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কপোতাক্ষ চর ভরাটি ব্রীজ রাস্তা দখল করে ইমারত করার পাঁয়তারা করছেন নগর শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত ডাঃ পুলিন রায়ের ছেলে শুশান্ত ও প্রশান্ত রায়। তারা স্থানীয় ভুমি অফিসের দুর্নীতিবাজ তহসিলদার ও অফিস কর্মকর্তা রব্বানীর প্রত্যাক্ষ সহযোগিতায় চর ভরাটি জমি দখল করে পাঁচালী ও সু দৃশ্য গেট নির্মাণ করে রেখেছেন। তাদের দেখে প¦ার্শবর্তী চানাচুর ভাজা বিক্রেতাও রাস্তার জমি দখল করে বসে আছে। সব মিলে দখল উৎসবে মেতে উঠেছে নতুন রাস্তার বাসিন্দারা। সম্প্রতি কপোতাক্ষ তীরবর্তী অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করলেও এখনও মুল্যবান অনেক জায়গার দখলমুক্ত হয়নি। স্থানীয় সুধীজন ও অভিজ্ঞ মহলের মতে, বাজার সম্প্রসারন ও উন্নয়নে পরিকল্পিত পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হওয়া প্রয়োজন।
জানাগেছে, খুলনার সর্ববৃহৎ বানিজ্যিক মোকাম কপিলমুনি বাজারের জায়গার দাম আনুপাতিক হারে জেলা সদরসহ রাজধানীর জায়গার সমপরিমান। ব্যবসায়ীক কেন্দ্র হিসাবে কপিলমুনির রয়েছে যথেষ্ট পরিচিতি ও সুনাম। ফলে বৃহৎ এ মোকাম থেকে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় করে থাকে। চলতি বছর এর রাজস্ব আদায়ের পরিমান প্রায় ৫০লাখ টাকা। অথচ দীর্ঘদিন জায়গা স্বল্পতার কারণে বাজারের সম্প্রসারন তথা বাজার ব্যবস্থাপনায় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে বাজারের মধ্যে পুরাতন ব্যবসায়ীদের ডিসিআর এর মাধ্যমে জায়গা বন্দোবস্ত না দেয়ায় অনেক ব্যবসায়ী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। এ ব্যাপারে হরিঢালীÑকপিলমুনি এলাকার দুই চেয়ারম্যান আবু জাফর সিদ্দিকী রাজু ও কওসার আলী জোয়াদ্দার বলেন আমরা রাস্তার মাপ জোপ করবো তাড়াতাড়ি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফকরুল হাসান বলেন সাম্প্রতিক সময়ে কপোতাক্ষ নদীর পাশে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। আরো পদক্ষেপ সামনে রয়েছে। সহকারী কমিশনার ভুমি আঃ আওয়াল বলেন বিষয়টি আমি অনেক বার শুনেছি, এবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা হবে। এদিকে এ বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।

শেয়ার