ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় মটর পার্টস ও টায়ার টিউব ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শনিবার যশোর মটর পার্টস ও টায়ার টিউব ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের নিয়মানুযায়ী দুই বছর পরপর নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও ১১ বছর পর নির্বাচন হওয়ায় প্রার্থী ভোটার আর ওই এলাকার সকল ব্যবসায়ীদের মধ্যে আনন্দ উল্লাশ ছিল চোখে পড়ার মতো।
শনিবার সকাল থেকে প্রত্যেক প্রার্থী ভোট কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান নিয়ে ভোটারদের কাছে শেষ বারের মতো ভোট প্রার্থনা করেন। সকাল থেকে এক প্রকার বন্ধ ছিল আরএন রোডের সকল দোকানপাট। এমনিতেই সকাল থেকে বৈরি আবহাওয়া। টিপটিপ বৃষ্টি তার ওপর ভোট। এই কারণে ব্যবসায়ীরা অন্তত এ দিন দোকানপাট খুলেননি। যে কয়টা হাতে গোনা দোকান খোলা ছিল সেগুলোতে ছিল প্রার্থী আর ভোটাদের দখলে। ফলে খুব বেশি কেনাবেচা করতে পারেননি দোকানিরা।
সকাল থেকে বিভিন্ন প্রার্থীদের রঙ্গীন প্রতীক সম্বলিত প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে সমর্থকরা নেচে গেয়ে উল্লাস করতে থাকে। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও প্রার্থীর পক্ষে সমর্থকদের উল্লাসের কমতি ছিল না। বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মুখরিত করে রাখে আরএন রোড এলাকা। ওই সড়কে যানজট পড়ে যায়। ভিড় সামলাতে প্রার্থীদের সমর্থকরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে যানজট নিরোশনের কাজ করেন।
সকালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা ভোট গ্রহণ দেখার জন্য ভোট কেন্দ্রের সামনে হাজির হন। এদের মধ্যে ছিলেন জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ও জেলা কমিটির সভাপতি রবিউল আলম, জেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, নগর বিএনপির সভাপতি যশোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মারুফুল ইসলাম, যশোর চেম্বারের সাবেক সভাপতি এবং বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান খান, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ হাসান বিপু, যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম জুয়েল, আওয়ামী লীগ নেতা এবং ইউপি চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী, সাধারণ সম্পাদক ছালছাবিল আহমেদ জিসান, যশোর পরিবহন সংস্থা শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মর্তোজা হোসেন প্রমুখ। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল জানিয়েছেন, বিকেল ৪টার দিকে ভোগ গ্রহণ শেষ হয়েছে। মোট ৬৫৭ জন ভোটারের মধ্যে ৬১৮জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ভোট গণনা চলছিল।

শেয়ার