জেরুজালেম: ফিলিস্তিনিদের ‘ক্ষোভ দিবসে’সংঘর্ষে নিহত ২

সমাজের কথা ডেস্ক॥ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিবাদে ঘোষিত ‘ক্ষোভ দিবসে’ ইসরায়েলি সেনা ও ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার পশ্চিমতীর ও গাজায় হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে।

শান্তি প্রচেষ্টার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওয়াশিংটন তার ‘গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

ফিলিস্তিন রেড ক্রিসেন্ট অম্ব্যুলেন্স সার্ভিসের তথ্যনুযায়ী, পশ্চিমতীর ও গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের গুলি ও রাবার বুলেটে ৮০ জনেও বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। পাশাপাশি সেনাদের ছোড়া কাঁদুনে গ্যাসেও অনেকে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার আরও ৩১ জন আহত হয়েছিলেন।

শুক্রবার জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে জুমার নামাজ শেষ হওয়ার পরপরই ফিলিস্তিনিরা দেয়ালঘেরা পুরনো জেরুজালেমের গেইটে গিয়ে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করে।

এ সময় তারা শ্লোগান তোলে, ‘জেরুজালেম আমাদের, আমাদের রাজধানী জেরুজালেম’ এবং ‘ফাঁকা কথা চাই না, চাই পাথর, কালাশনিকভ’। পরে ইসরায়েলি পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়।

হেব্রন, বেথেলহেম, নাবলুসে বহু ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি সেনাদের ওপর পাথর ছুড়ে মারে, জবাবে কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ে ইসরায়েলি সেনারা।

গাজা সীমান্তের কাছে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। দুই দিনের ‘ক্ষোভ দিবসে’ এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা। পরে আহত আরেকজন মারা যান বলে গাজা হাসপাতালের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

টিভিতে প্রচারিত দৃশ্যে বেথলেহেমে পাথর ছুড়ে মারা ফিলিস্তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর ইসরায়েলি সেনাদেরকে জলকামান ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

সেনাদের কাঁদুনেগ্যাস আর বিক্ষুব্ধ ফিলিস্তিদের টায়ার পোড়ানোয় ঘন কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় চারিদিক। ইসরায়েলি সেনারা বিক্ষোভকারীদের ওপর রাবার বুলেটও ছুড়ে।

অন্যান্য যেসব স্থানে সংঘর্ষ হয়েছে সেসব জায়গাতেও দেখা গেছে একই দৃশ্য।

শেয়ার