কুমিল্লাকে হারিয়ে আবার ফাইনালে ঢাকা

সমাজের কথা ডেস্ক॥ ফাইনালের টিকিট কেটেছে ঢাকা ডায়নামাইটসগতবারের মতো এবারও একই চিত্র। প্রথম কোয়ালিফায়ার জিতে ফাইনালে গিয়েছিল ঢাকা ডায়নামাইটস। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কুমিল্লাকে ৯৫ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটে ফেলেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। তবে কুমিল্লারও সুযোগ থাকছে। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রংপুরের বিপক্ষে জিততে পারলে ফাইনালে যেতে পারবে তামিম ইকবালের দল।

১৯২ রানের বড় লক্ষ্যে সেভাবে প্রত্যয়ী দেখা যায়নি কুমিল্লাকে। বরং ঢাকার বোলিং আক্রমণে ছিল অসহায়। থিতু হতে পারেননি স্বীকৃত ব্যাটসম্যানরা। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে যার শুরুটা করেছিলেন লিটন দাস। ০ রানে মোসাদ্দেক হোসেনের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

এরপর অধিনায়ক তামিম একার লড়াই চালিয়ে প্রতিরোধ দিতে থাকেন। বাকিরা ছিলেন আসা যাওয়ার লড়াইয়ে! এক পর্যায়ে তামিমকে ৩১ রানে বিদায় করেন আজকের ম্যাচে ফেরা শহীদ আফ্রিদি। ২৮ বলে ৩১ রানে বাইরে এসে খেলতে চেয়েছিলেন। উইকেটরক্ষক জহুরুল সুযোগ পেয়ে স্টাম্প ভেঙে দেন।

শেষ দিকে হাসান আলী ও মেহেদী হাসান মিলে কিছুটা প্রতিরোধ দিয়ে রানের ব্যবধান কমান মাত্র। হাসান আলীকে ১৮ রানে স্টাম্পড করান সুনিল নারিন। মেহেদী অপরাজিত ছিলেন ১৫ রানে।

ঢাকার বোলারদের মাঝে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শহীদ আফ্রিদি। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি। দুটি নেন মোসাদ্দেক হোসেন ও সাকিব আল হাসান। একটি নেন সুনিল নারিন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৯১ রানের বিশাল পুঁজি দাঁড় করায় ঢাকা ডায়নামাইটস।
বড় সংগ্রহ করা ঢাকার শুরুটা হয়েছিল হোঁচট খেয়ে। ১১ রানে ফিরে যান ওপেনার মেহেদী মারুফ। প্রাথমিক এই ধাক্কা সামলে নেন ওপেনার এলভিন লুইস। ঝড়ো গতিতে রান তুলতে থাকেন। সমান তালে ব্যাট চালান জো ডেনলিও। এই জুটিতে ভর করে ৯ ওভারে ৮০ রান তুলে ফেলে ঢাকা।

ধীরে ধীরে লম্বা ইনিংসের পথে ছিলেন লুইস। ব্যক্তিগত ৪৭ রানে ব্যাট করতে থাকা এই মারকুটে ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করে বিদায় দেন শোয়েব মালিক। লুইসের ৩২ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছয়। এরপর কিয়েরন পোলার্ড নেমে আরও আগ্রাসী ভঙ্গিতে ব্যাট চালান। ১৮ বলে ৩১ রান তুলে ফেলেছিলেন। তার ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ৩টি ছয়। সেই পোলার্ডকে লিটন দাসের গ্লাভসবন্দি করলে ধাক্কা খায় ঢাকার স্বাভাবিক গতি।

পরের ওভারে দুর্ভাগ্যজনক রানআউট হয়ে ফিরে যান ৩২ রানে থাকা ডেনলি। তার ২৫ বলের ইনিংসে ছিল ২টি চার ও একটি ছয়। হঠাৎ স্লথ হয়ে যাওয়া রানের চাকায় প্রাণ ফেরান আজকের ম্যাচে ফেরা শহীদ আফ্রিদি। হাসান আলীর বলে ফেরার আগে ১৯ বলে তুলেন ৩০ রান। যাতে ছিল ৪টি ছয়! শেষ দিকে অপরাজিত ছিলেন সুনিল নারিন (৯) ও জহুরুল ইসলাম (৩)।

কুমিল্লার পক্ষে ৪ ওভারে ১৬ রান দিয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন হাসান আলী। দুটি নেন ডোয়াইন ব্র্যাভো। একটি নেন শোয়েব মালিক।

শেয়ার