আ. লীগ নেতাদের থেকে সাবধানে থাক: ছাত্রলীগকে কাদের

kaderসমাজের কথা ডেস্ক॥ আওয়ামী লীগ নেতারা নিজেদের স্বার্থে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের ব্যবহার করতে পারেন বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন খোদ ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে ছাত্র সংগঠনটির নেতাকর্মীদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
রোববার অপরাজেয় বাংলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের হল সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের বলেন, “নেতাদের খুশি করার দরকার নাই। এদেশের ছাত্রসমাজ ও জনগণকে খুশি করতে হবে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের।”
আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বিষয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের সতর্ক করে সংগঠনটির সাবেক এই সভাপতি বলেন, “পড়াশোনা করে যোগ্যতা অর্জন করতে না পারলে নেতারা তোমাদের তাদের স্বার্থ রক্ষার পাহারাদার হিসাবে ব্যবহার করবে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সেটা কোনোভাবে হতে পারে না।”
ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করে অপকর্মের মাধ্যমে কেউ যাতে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে না পারে সেদিকেও সংগঠনটির নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।
১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, সব প্রস্তুতিও শেষ হয়েছিল।এরইমধ্যে মধ্যরাতে ধানমন্ডিতে জাতির জনকের বাসভবনে হানা দেয় একদল সেনা সদস্য, পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেন তারা।

বাঙালির ইতিহাসের এই কল্ঙ্কজনক অধ্যায়ের কথা তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, “ক্ষমতার রাজনীতির সঙ্গে ‘বসন্তের কোকিলের’ একটা যোগ আছে। শুধু এটুকু বলব, সতর্ক থাক। কাউকে তাড়িয়ে দিতে বলছি না। দল করে কেউ যদি দলের চেতনা ও আদর্শ নিয়ে কাজ করে তাহলে অসুবিধা নাই। নবাগতকেও স্বাগত জানাই।
“কিন্তু স্বাগত জানাতে গিয়ে দুয়েকটা অপকর্ম সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করবে, তাদের ব্যাপারে কোনো আপস করলে চলবে না।”
নিজে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পিছনে ত্যাগের মূল্যায়ন রয়েছে মন্তব্য করে ছাত্রলীগ কর্মীদের ধৈর্য ধরে রাজনীতিতে লেগে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, “আমার মতো কর্মীর ত্যাগকে স্বীকৃতি দিয়ে সারাদেশের সকল ত্যাগী কর্মীর স্বীকৃতি দিয়েছেন। রাজনীতিতে হারাবার কিছু নাই। কমিটমেন্ট নিয়ে রাজনীতিতে লেগে থাক, ধৈর্য  ধরো, তোমার মূল্যায়ন হবেই।”

শেয়ার