মিশরে আইএসের হামলায় সামরিক কর্মকর্তাসহ নিহত ৭

iss
সমাজের কথা ডেস্ক॥ ইসলামিক স্টেটের (আইএস) দায় স্বীকার করা দুটি বোমা হামলায় মিশরীয় সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা, পাঁচ সেনাসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সিনাই উপদ্বীপে পৃথক এ দুটি হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৫ জন।
নিরাপত্তা বাহিনী ও হাসপাতাল সূত্রগুলো জানিয়েছে, দুটি হামলার ঘটনাতেই নিরপত্তা বাহিনীর সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে বিস্ফোরণ ঘটনো হয়। এতে নিহতদের মধ্যে সামরিক বাহিনীর সদস্য ছাড়াও একজন বেসামরিক নারীও রয়েছেন।
বেশ কয়েকটি ওয়েবসাইটে হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে আইএস।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, সিনাইয়ের রাফা ও দক্ষিণাঞ্চলীয় শেখ জায়েদের সড়ক পথে বেশ কয়েকটি বোমা পুঁতে রাখা হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়িগুলো পৃথক দুটি স্থানেই বোমা পেতে রাখা এলাকা অতিক্রমের সময় দূর নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ ঘটায় হামলাকারীরা।
এসব হামলার বিষয়ে মিশরের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্রের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পাঁচদিনের এক সফরে বৃহস্পতিবার থেকে মিশরে অবস্থান করছেন সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজ। ওই দিনটিতেই সিনাইয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা দুটি ঘটলো।
২০১৩ সালে মিশরের প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুসলিম ব্রাদারহুডের মুহম্মদ মুরসিকে সেনাবাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে দেশটিতে উগ্রপন্থি বিদ্রোহী তৎপরতা হঠাৎ করে বেড়ে যায়।
প্রধানত সিনাই প্রদেশ কেন্দ্রিক এই বিদ্রোহী তৎপরতায় আইসের মিশরীয় শাখা যুক্ত হওয়ার পর থেকে বহুগুণ বেড়ে যায়। কয়েক শত মিশরীয় পুলিশ ও সেনাকে হত্যার পাশাপাশি তারা দেশটিতে অবস্থিত পশ্চিমা লক্ষ্যস্থলগুলোতে হামলা চালানো শুরু করে।
ইসলামপন্থি উগ্র এসব জঙ্গিবাদীদের মিশরের প্রতি হুমকি বলে বর্ণনা করেছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান আব্দেল ফাত্তা আল সিসি।

শেয়ার