স্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম চালু দাবি নিয়ে সূত্রপাত॥ যশোর মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের ভাংচুর

medic
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোর মেডিকেল কলেজের (যমেক) শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের কার্যালয় ও প্যাথলজি বিভাগে ভাংচুর চালিয়েছেন। শিক্ষা কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর ও নিয়মিত ক্লাসের দাবিকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ ভাংচুর চালানো হয়। এ ঘটনায় একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে।
যশোর মেডিকেল কলেজের প্রধান সহকারী আব্দুস সবুর খান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলতে তার অফিসে যান। এসময় হঠাৎ শিক্ষার্থীরা চিৎকার-চেচামেচি এবং অধ্যক্ষের অফিসের জানালা ও আসবারপত্র ভাংচুর করে। কিছুক্ষণ পর প্যাথলজি বিভাগেও তারা ভাংচুর করে। শিক্ষার্থীরা জানান, আগামী ১৩ এপ্রিল যশোর মেডিকেল কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়া হবে বলে শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছিল। কিন্তু সে বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত থাকায় বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে। মিছিল শেষে শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের সাথে দেখা করে। এ সময় স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার ব্যাপারে অধ্যক্ষের বক্তব্য সন্তোষজনক না হওয়ায় তারা ভাংচুর করেছেন। শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান তুহিন জানান, ১৩ এপ্রিলের মধ্যে কলেজ অস্থায়ী থেকে তারা নিজস্ব ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম স্থানান্তর করার দাবি জানালেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়ায় তারা বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এরপর তারা কলেজ অধ্যক্ষে সাথে দেখা করতে যান। কিন্তু অধ্যক্ষ তাদেরকে অপারগতার কথা বলে ‘এ নিয়ে তোমরা যা করতে পারো, করো’ বলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। এতে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ভাংচুর চালিয়েছে।
এই সভা শেষে অধ্যক্ষ ডা. আবু হেনা মাহাবুব উল মওলা চৌধুরী জানান, আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থীরা কলেজে ভাংচুর চালিয়েছে। ঘটার পর যমেক একাডেমিক কাউন্সিল ও শিক্ষক সমিতি জরুরি সভায় মিলিত হন। এসভা থেকে গাইনি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. নিকুঞ্জ বিহারী গোলদারকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন জানান, হাসপাতালে ভাঙচুরের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ দিলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।

শেয়ার