যশোর প্রেসক্লাবে মেম্বার প্রার্থী শান্তির সংবাদ সম্মেলন॥ ভাজা বিক্রেতা বিষে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে নানামুখি চক্রান্তে চাঁচড়ার বিল্লাল মেম্বার

song
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নির্বাচনী মাঠে বোমা হামলা ও গুলি করে ভাজা বিক্রেতা আব্দুস সাত্তার বিষে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে নানামুখি চক্রান্ত করছেন যশোর সদরের চাঁচড়ার বিল্লাল হোসেন ওরফে বিল্লাল মেম্বার। চক্রান্তের অংশ হিসেবে তিনি গত মঙ্গলবার তার মেয়ে তানিয়া আক্তার তন্নিকে দিয়ে প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলন করান। সেখানে ওই হামলার দায় আমার উপর চাপানো হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বিল্লাল ও তার সন্ত্রাসীরা চাঁচড়া ভাতুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বোমা হামলা করেন। এজন্য নিহতের ছেলে ঘটনার পর দিন বিল্লাল হোসেন ও তার ভাই হেলালকে আসামি করে মামলা করেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার প্রেসক্লাব যশোরে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন চাঁচড়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার পদে বিল্লালের প্রতিদ্বন্দ্বী সেলিম আহমেদ শান্তি। সংবাদ সম্মেলনে মোবারক উদ্দিন, তাইজুল হোসেন বাদশা, হারুণ-অর-রশিদ, হাজী আনোয়ার হোসেন সর্দা, হাজী সামাদ, অধ্যাপক মসলেম উদ্দিন, শুকুর আলী, শহিদুল ইসলামসহ এলাকার আর্ধশতাধিক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সেলিম আহমেদ শান্তি লিখিত বক্তব্যে বলেন, নানা অপকর্মের কারণে ৭নং ওয়ার্ডসহ চাঁচড়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ বিল্লাল মেম্বারের উপর ক্ষিপ্ত। তার নামে বোমা বিস্ফোরণসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হয়রানি থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে আবেদনও করেছেন। এমন পরিস্থিতিতে গত ৩১ মার্চ ইউপি নির্বাচনে তিনি আবারও মেম্বার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত জেনে চাঁচড়া ভাতুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিল্লাল হোসেন, তার ভাই হেলালসহ সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা ও গুলি বর্ষণ করে। ওই সময় আব্দুস সাত্তার বিষে নামে একজন নিহত হন। পরদিন নিহতের ছেলে ফারুক হোসেন, বিল্লাল হোসেন, তার ভাই হেলালসহ ২২ জনের নামে মামলা করেন। একই দিন চাঁচড়া মোড়ে কয়েক হাজার সাধারণ মানুষ বিল্লালকে শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করন। কিন্তু এই হত্যা মামলা ভিন্নখাতে নিতে ও নিজেকে বাঁচাতে বিল্লাল হোসেন মেয়েকে দিয়ে প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে সেলিম আহমেদ শান্তি দ্রুত বিল্লাল মেম্বার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করে এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান।

শেয়ার