ভাতুড়িয়া ভোট কেন্দ্রে গুলিতে বিষে খুন॥ বিল্লালের নেতৃত্বে হামলার কথা স্বীকার করে আটক বাপ্পির আদালতে জবানবন্দি

mamla
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ ইউনিয়ন পরিষন নির্বাচনের দিন যশোর শহরতলীর চাঁচড়ার ভাতুড়িয়ার ভোট কেন্দ্রে বোমা হামলা ও গুলিতে আব্দুস সাত্তার বিষে হত্যা মামলায় আটক বাপ্পি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি বিল্লাল মেম্বার ও তার ভাই হেলালের নেতৃত্বে বাপ্পিসহ অজ্ঞাতনামা ২০ জন বোমা হামলা ও গুলি করে বলে উল্লেখ করেছেন। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাজাহান আলী এ জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। বাপ্পি যশোর শহরের শংকরপুরের দুলাল মিয়ার ছেলে।
আদালত সূত্র মতে, গত ৩১ মার্চ যশোর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শহরতলীর ভাতুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল ৮ থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিল্লাল মেম্বার ও তার ভাই হেলালের নেতৃত্বে কেন্দ্র দখল করে ভোট কাটার জন্য বোমা হামলা ও গুলি করতে থাকে। তাদের ছোঁড়া গুলিতে বিদ্ধ ফেরিওয়াল আব্দুস সাত্তার বিষের মাথায় লেগে ঘটনাস্থলে মারা যান। এসময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে চারিদিকে আতংক সৃষ্টি হয়। সাথে সাথে ওই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ দেয়া হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে খোলাডাঙ্গা গ্রামের ফারুক হোসেন বাদী হয়ে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৫০/৬০ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সৈয়দ বায়েজীদ এমামলার আসামি বাপ্পিকে আটক করে বৃহস্পতিবার আদালতে প্রেরণ করেন। বাপ্পি ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
বাপ্পি জবানবন্দিতে বলেছেন, মেম্বার প্রার্থী বিল্লাল হোসেন তার চাচা হয়। ভোটের দিন ১১টার দিকে তারা চাচার পক্ষে ভোট কাটার উদ্দ্যেশ্যে ভাতুড়িয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র দখল করতে যায়। এ সময় হেলালের নেতৃত্বে তার পরিচিত ২০ জনসহ আরো অনেকে বোমা হামলা ও গুলি করতে করতে ভোটা কেন্দ্রে যায়।

শেয়ার