যশোরে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন॥ নির্বাচনী সহিংসতায় নিহতের ঘটনায় ইউপি মেম্বরকে ফাঁসানোর অভিযোগ

somme
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোর নির্বাচনী সহিংসতায় নিহতের ঘটনায় একজন ইউপি মেম্বরকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। গত ৩১ মার্চ সদর উপজেলার চাঁচড়া ইউনিয়নের চাঁচড়া ভাতুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে আবদুস সাত্তার বিশে (৭০) নামের এক বৃদ্ধ নিহত হন। এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি মেম্বর বিল্লাল হোসেনকে ফাঁসানো হয়েছে বলে তার পরিবারের অভিযোগ। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সেলিম আহমেদ শান্তি কেন্দ্র দখল করতে সন্ত্রাসীদের দিয়ে বোমাবাজি শুরু করে। এক পর্যায়ে পুলিশের গুলিতে ওই ব্যক্তি নিহত হন। এ ঘটনায় বিল্লাল মেম্বর ও তার সমর্থকদের নামে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে মেম্বর বিল্লাল হোসেনের পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চাঁচড়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বর বিল্লাল হোসেনের মেয়ে তানিয়া আক্তার তন্নি। তিনি অভিযোগ করেন, গত ৩১ মার্চ চাঁচড়া-ভাতুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলাকালে মেম্বর পদপ্রার্থী সেলিম আহমেদ শান্তির সন্ত্রাসী বাহিনী কেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক বোমাবাজি করে। এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি ছুঁড়লে ৭০ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধ মারা যান। দুটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বৃদ্ধ নিহতের ঘটনায় তার ছেলে বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সেলিম আহমেদ শান্তি প্রভাবিত করে বিল্লাল মেম্বরের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। একই সঙ্গে বিল্লাল মেম্বরের সমর্থকদের হুমকি ধামকি ও বাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটছে। চাঁচড়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডবাসী চরম আতংকে দিন পার করছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, জনপ্রিয় মেম্বর বিল্লাল হোসেনকে ভোট মাঠ থেকে সরিয়ে দিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ষড়যন্ত্র করছে। হুমকি দেয়া হচ্ছে বিল্লাল মেম্বর নির্বাচন করলে এলাকায় আসতে পারবে না। তার নামে হত্যা মামলা দেয়া হয়েছে। আর বিল্লাল মেম্বর ভোটের মাঠ থেকে সরে গেলে তার মামলা তুলে নেয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিল্লাল হোসেন মেম্বরের স্ত্রী নারগিস পারভীন, মেয়ে শামসুন্নার রিংকু, সোনিয়া আক্তার, ভাবি নুরুন্নাহার দুলাল, বোন রেহেনা আলম, ছেলে রাশেদুজ্জামান রাজ প্রমুখ।

শেয়ার