বাগেরহাটে হত্যা মামলায় ২ জনের যাবজ্জীবন

jabojjibon karadondo
সমাজের কথা ডেস্ক॥ ছয় বছর আগে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা মামলায় দুই ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন এবং এক নারীসহ দুই জনকে পাঁচ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
সোমবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রেজাউল করিম এই রায় দেন।
একইসঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন প্রাপ্তদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয়মাসের কারাদন্ড এবং পাঁচবছর দন্ডপ্রাপ্তদের পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সীতা রাণী দেবনাথ ।
যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন বাগেরহাট শহরের খারদ্বার এলাকার ফজলুল মল্লিকের ছেলে রুবেল মল্লিক (২৫) ও জাহাঙ্গীর খানের ছেলে খান মোহাম্মদ জিহাদ (৩০)।
পাঁচ বছর কারাদন্ড প্রাপ্তরা হলেন শহরের সম্মিলনী স্কুল রোডের সামাদ পাইকের মেয়ে সুমনা নাজনিন ওরফে বনানী (২৬), খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা ধাইয়ারকূল বাড়ি গ্রামের মোসলেম মোল্লার ছেলে খালিদ মোল্লা (২৯)। দন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে সুমনা নাজনিন পলাতক রয়েছেন।
মামলার নথির বরাত দিয়ে সীতা রাণী দেবনাথ জানান, শহরের দক্ষিণ সরই এলাকার মো. নুরুল ইসলাম চৌধরীর ছেলে ওবায়দুল ইসলাম চৌধরীর সঙ্গে সুমনা নাজনিনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর সুমনার সঙ্গে চরমপন্থিদের (জনযুদ্ধ লাল পতাকা) যোগাযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে সুমনাকে ডিভোর্স দেন ওবায়দুল।
‘এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওবায়দুলের কাছে পৌনে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে সুমনা। চাঁদার টাকা না পেয়ে ২০১০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের আলিয়া মাদ্রাসা সড়কে আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ওবায়দুলকে হত্যা করে।’
এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে সুমনাসহ চার জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহাবুদ্দিন ২০১১ সালে ৩১ মে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন বলে জানান পিপি।

শেয়ার