নাগোরনো-কারাবাখ সংঘর্ষ আজারবাইজানের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা

nagor
সমাজের কথা ডেস্ক॥ দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের বিতর্কিত এলাকা নাগোরনো-কারাবাখে আর্মেনিয়া বাহিনীর সঙ্গে শুরু হওয়া নতুন লড়াইয়ে একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে আজারবাইজান।
শুক্রবার রাতে এ লড়াই শুরু হওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক পক্ষগুলো সহিংসতা থামাতে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতিতে যেতে দুপক্ষের প্রতি আহ্বান জানায়। এ আহ্বানে সাড়া দিয়েই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র। বিবিসি এ খবর দিয়েছে।
দুপক্ষে সংঘর্ষে ৩০ সেনা ও বেসামরিক মানুষ নিহত হওয়ার পর রোববারও গোলাগুলি অব্যাহত রয়েছে। আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, “আজারবাইজান সদিচ্ছা দেখিয়ে একতরফাভাবেই সহিংসতা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তবে নিজেদের বাহিনী হামলার শিকার হলে পাল্টা হামলা চালানো হবে বলেও তারা সতর্ক করেছে।
নাগোরনো-কারাবাখ এলাকাটি ভূখন্ডগতভাবে আজারবাইজানের ভেতরে হলেও আর্মেনীয় জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত। ১৯৯৪ সালে আজারবাইজানের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদী লড়াই শেষ হওয়ার পর থেকে এলাকাটি আর্মেনিয়ার সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তায় স্বায়ত্তশাসিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু এখানে প্রায়ই দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে।
শনিবার আজেরি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের সেনাবাহিনী ওই এলাকার কিছু ‘কৌশলগত উঁচু এলাকা ও বসতি মুক্ত করেছে’।
আজারবাইজান জানায়, প্রথমে তাদের সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দীর্ঘ-পাল্লার কামান ও গ্রেনেড-লঞ্চার থেকে গোলাবর্ষণ করা হয়, তখন পাল্টা অভিযানে তাদের বাহিনী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পাহাড় ও একটি গ্রামের দখল করে নেয়।
ওদিকে, আর্মেনীয় সরকার বলেছে, ট্যাঙ্ক, কামান ও হেলিকপ্টার নিয়ে আজারবাইজান ‘ব্যাপক আক্রমণ’ পরিচালনা করেছে।
উভয়পক্ষই লড়াইয়ে বেসামরিক হতাহত হওয়া কথা জানিয়েছে এবং পরস্পরকে ১৯৯৪ সালে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করার জন্য অভিযুক্ত করেছে।

শেয়ার