ঢাকায় চলবে পাতাল রেল

sub way
সমাজের কথা ডেস্ক॥ রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনের লক্ষ্যে ২০২১ সালের মধ্যে দুটি পাতাল রেললাইন নির্মাণে একটি প্রস্তাবনা প্রণয়ন করেছে সেতু কর্তৃপক্ষ।
রোববার বনানীর সেতু ভবনে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঢাকা সাবওয়ে (আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো) নির্মাণের বিষয়ে মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ বিষয়ক এক সভায় এ পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
সেতু বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এই প্রস্তাবনা অনুযায়ী সাবওয়ে লাইন-১ হবে মোট ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ। টঙ্গী থেকে শুরু করে এয়ারপোর্ট-কাকলী-মহাখালী-মগবাজার-পল্টন-শাপলা চত্বর হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত হবে এই পাতাল রেল লাইন; যা পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত যাবে। এর সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ৫.২৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সাবওয়ে লাইন-২ আমিনবাজার থেকে শুরু করে গাবতলী-শ্যামলী-আসাদগেট-নিউমার্কেট-টিএসসি-ইত্তেফাক হয়ে সায়েদাবাদ পর্যন্ত হবে; যা পরবর্তীতে উভয়দিকে সম্প্রসারিত হবে। এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২.৮৭ বিলিয়ন ডলার।
প্রস্তাবনা মতে, মোট ৪৮ কিলোমিটার সাবওয়ে দুটির সম্ভাব্য নির্মাণ ব্যয় ৮.১৪ বিলিয়ন ডলার।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইতোপূর্বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৌখিকভাবে ঢাকা শহরে সাবওয়ে নির্মাণের বিষয়ে সেতু বিভাগকে নির্দেশনা দেন। এরপর বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক কার্যক্রম হাতে নেয়।
গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনে সাবওয়ে নির্মাণের কার্যক্রম তরান্বিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে চিঠি দেওয়া হয়।
গণপরিবহন ব্যবস্থা, নগর উন্নয়ন, কারিগরি নির্মাণ পদ্ধতি ও অর্থনৈতিক বিষয় সবদিক থেকে ঢাকা শহরের যানজট নিরসনের বিষয়টি জটিল হওয়ায় পাতাল রেলের মাধ্যমে সমাধানের লক্ষ্যে সেতু কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবনা প্রণয়ন করেছে।
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বিআরটিএ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, সেতু বিভাগের সচিব খোন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, ডিটিসিএর নির্বাহী পরিচালক মো. কায়কোবাদ হোসেন ও সেতু বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী কবির আহম্মেদসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা ছিলেন।
সভায় সার্ভে বিষয়ক উপস্থাপনা করেন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির অধ্যাপক ড. হোসেইন মো. শাহীন।

শেয়ার