দ্বিতীয় ধাপের ৬২৮ ইউপির ফল: নৌকা ৪৪৪, ধানের শীষ ৬১

voter
সমাজের কথা ডেস্ক॥ নবম ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত ৬৩৯ ইউপির মধ্যে ৬২৮টিতে চেয়ারম্যান পদে জয়ীদের প্রাথমিক ফল নির্বাচন কমিশনে পৌঁছেছে।
এতে ক্ষমতাসীন আওয়মী লীগের প্রার্থীরা ৪৪৪টিতে ও বিএনপির প্রার্থীরা ৬১টিতে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ১১৫ ইউপিতে।
এদিকে চলমান এই ইউপি নির্বাচনে প্রথম দুই পর্বের ভোটে ব্যাপক জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগ তুলে বিএনপি হুমকি দিয়েছে, তৃতীয় পর্বের ভোটেও চিত্র না পাল্টালে তারা পরবর্তী তিন পর্বের ভোট বর্জন করবে।
এই হুমকিকে ‘ব্যর্থতার লজ্জায়’ সরে যাওয়ার চেষ্টা হিসেবে দেখছে আওয়ামী লীগ।
বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ধাপে ৬৩৯ ইউপিতে ভোট হয়। এ ধাপে ৩৩টি ইউপিতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।
ভোটের পর চেয়ারম্যান পদের ফল ইসিতে পৌঁছেছে বলে শনিবার জানিয়েছেন উপ-সচিব রকিব উদ্দিন মন্ডল।
ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ৬৩৯ ইউপিরই একীভূত তথ্য পাওয়া গেছে। সবকিছু যাচাই-বাছাই করে রোববার আনুষ্ঠানিক ফল জানানো হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ৫৯৫ ইউপির ভোটে জয়ী চেয়ারম্যানদের প্রাথমিক ফল ও কেন্দ্র স্থগিতের কারণে ১১ ইউপির আংশিক ফল মাঠ কর্মকর্তারা পাঠিয়েছেন।
এর মধ্যে আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা ৪১১টিতে জয়ী হয়েছেন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়ে এ ধাপে নৌকা প্রতীক পেয়েছে ৪৪৪ চেয়ারম্যান। বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে চেয়ারম্যান হয়েছেন ৬১ জন।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১১৫টিতে, জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা তিনটিতে, জাতীয় পার্টি-জেপির প্রার্থীরা দুটিতে, জাসদের প্রার্থীরা দুটিতে এবং আরেকটি দলের এক প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

৫৯৫ ইউপিতে ৭৬ দশমিক ২১ শতাংশ ভোট পড়েছে। এসব এলাকায় ১ কোটি ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭০ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ৮০ লাখ ৪৫ হাজার ৪৬০টি।
ফল আটকে থাকা ১১ ইউপির ভোট পড়ার তথ্য এ হিসাবে রাখা হয়নি বলে জানান ইসি কর্মকর্তারা।
দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনী সহিংসতায় অন্তত ৮ জনের প্রাণহানি ও অনিয়মের কারণে ৩৩টি ভোটকেন্দ্র স্থগিত করা হয়। প্রথম ধাপের নির্বাচনী সহিংসতায় অন্তত ২০ জনের প্রাণহানি এবং ৬৫টি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করা হয়।

শেয়ার