একদিনেই ৯ লাখ জাপানির নতুন চাকরি

japani
সমাজের কথা ডেস্ক॥ জাপানের অর্থবছর শুরু হয়েছে শুক্রবার। আর এই দিনেই ৯ লাখ ১০ হাজার জাপানি শুরু করেছে নতুন চাকরি। এর মধ্য দিয়ে এবছর জাপানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক জাপানির চাকরির সুযোগ মিলল।
তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হল, এদের মধ্য শতকরা ৮৭ দশমিক ৮ শতাংশ প্রার্থী পড়াশোনা শেষ করেছে গত মাসে (মার্চ) যা গত বছরের তুলনায় ১ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
দেশটিতে বিশ্বের নামকরা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থাকলেও স্থানীয় পর্যায়ের কোম্পানিগুলোতে বেশি সংখ্যক প্রার্থী চাকরি পেয়েছেন।
শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, এ বছর অটোমোবাইল কোম্পানি টয়োটা ২ হাজার ২৩৯ জন নতুন সহকর্মী পেয়েছে। ওসাকায় অবস্থিত প্যানাসোনিক নিয়োগ দিয়েছে মাত্র ৬৬৯ জনকে।
সদ্য তাইওয়ানের ফক্সকনের হাতে যাওয়া ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি ‘শার্প’ তাদের কর্ম ছাঁটাই করলেও এ বছর ১৫১ জনকে নিয়োগ দিয়েছে।
নতুন চাকরিতে প্রবেশের আগে রাজধানী টোকিওতে হয়েছে ‘আড়ম্বর’ অনুষ্ঠান। সেখানে সরকার ও কোম্পানিগুলোর নির্বাহীরা নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরির আশ্বাস দিয়েছে।
জাপানে চাকরি পদ্ধতি অনুযায়ী প্রার্থীরা কেবল এই এপ্রিল ও অক্টোবরে চাকরিতে প্রবেশ করতে পারে। অন্যন্য সময় কোনও কোম্পানি নিয়োগ দেয় না। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘ হওয়ায় চাকুরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো যেসব প্রার্থীকে চুড়ান্তভাবে নেয়, তার প্রক্রিয়া এক বছর আগেই শেষ হয়।
সদ্য চাকুরিতে প্রবেশে করেছেন তাকাউচি তাকাই, অওগি ইয়োগি, ইওশিদা। তিনি বলেন, আসলে জাপানের চাকুরি প্রক্রিয়া অনেক ধাপের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। এখানে একজন প্রার্থীকে যেমন প্রতিযোগিতা করতে হয় তেমনি অন্তত ৫/৬ টি মৌখিক পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়।
যেমন আমি জাপানে দুগ্ধজাত কোম্পানি মেইজিতে গত বছর এপ্রিলে উত্তীর্ণ হয়েছি, যখন আমি মাস্টার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়ি। আপনাকে পড়াশোনা করা অবস্থায় কোম্পানিগুলোর চাকুরি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

শেয়ার