লেবুতলা বাজারে বোমা হামলা ও ভাংচুর আদালতে দুটি মামলা, আসামি ৩৩

mamlamamla
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোর সদর উপজেলার লেবুতলা বাজারে হামলা, মারপিট, ভাংচুর, লুটপাট, বোমা বিস্ফোরণ ও গুলির অভিযোগে আদালতে দুইটি মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার লেবুতলা গ্রামের প্রদীব কুমার খা ও মোকম আলী বাদী হয়ে এ মামলা করেন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শাজাহান আলী মোকাম আলীর অভিযোগটি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা ও প্রদীপ কুমারের অভিযোগটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলে আদেশ দিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ওসিকে।
মুকাম আলীর দায়ের করা মামলা আসামিরা হলেন, লেবুতলা গ্রামের রেজাউল করিম ও তার দুই ছেলে নাজমুল হোসেন, মেজবাউল হোসেন, মৃত কিতাব উদ্দিনের ছেলে আব্দুল আজিজ, হাসেম গাজীর ছেলে হাসান গাজী ও আবু মুছা, মৃত রাজ কুমারের দুই ছেলে প্রদীপ কুমার ও উজ্বল কুমার এবং প্রদীপ কুমারের করা মামলার আসামিরা হলো লেবুতলা গ্রামের জহুরুল হকের ছেলে ইসামুল হোসেন নান্নু, আব্দুল মতিনের ছেলে ডিটুল হোসেন, মাতাবদির ছেলে মনু মিয়া দায়েম, মোহাম্মাদ আলীর ছেলে বাবু, মৃত মোসলেমের ছেলে ইউনুচ আলী, মৃত আকমলের ছেলে রহমত আলী, বাহের আলীর ছেলে মকবুল হোসেন, আব্দুর রহিম, মৃত আফছারের ছেলে আনছার আলী, আব্দুল মজিম ফুন্টের ছেলে জসিম, মোকাম আলীর ছেলে মিলন হোসেন, মৃত জনাব আলীর ছেলে শাহাবার, মৃত আফছারের ছেলে খাইনরুল, মৃত খোদা বক্সের ছেলে মশিয়ার, আগ্রাইল গ্রামের মৃত লুৎফরের ছেলে নিহার, মৃত মকবুলের ছেলে মুজাহিদ, শফিয়ার রহমানের ছেলে সোহাগ, এনায়েতপুর গ্রামের মৃত হেকমত আলীর ছেলে আলমগীর বাবুল, জহর আলীর ছেলে আব্দুর রব মেম্বর, আসাদুজ্জামান, ইয়াকুবের ছেলে আবদার, মৃত আবু বক্কারের ছেলে দাউদ হোসেন, আব্দুল আজিজ মোল্লার ছেলে আরব আলী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৬ মার্চ রাতে প্রদীপ কুমার লেবুতলা বাজারে তার ফার্মেসিতে বসে নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের নিয়ে মিটিং করছিলেন। রাত ৯টার দিকে আসমিরা দেশিয় আস্ত্র নিয়ে তার দোকানে হামলা করে। এ সময় হামলাকারীরা তাকে ও উপস্থিত নৌকা প্রতীকের সমর্থকদের বেদম মারপিট করে, দোকান ভাংচুর করে। এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকা ক্ষতি হয়। অপরদিকে, মোকাম আলীর মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার রাতে আসামিরা অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেল যোগে লেবুতলা বাজারে আসে। লোকজন কিছু বুঝে উঠার আগে আসামিরা বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ও গুলি করে। এরমধ্যে মামলার বাদী মোকাম আলী, ব্যবসায়ী বাবুল তরফদারকে ধরে বেদম মারপিট করে এবং অন্য আসমিরা তখন বাবুলের ও পাশের দুইটি চায়ের দোকান ভাংচুর করে। বাজারের লোকজন জড়ো হয়ে এদিয়ে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়।

শেয়ার