যশোরে কলেজছাত্র জিম হত্যাকাণ্ড॥ আটক হাবিলের আদালতে জবানবন্দি, জড়িত ১০

mamla
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকায় কলেজছাত্র জিম হত্যা মামলায় আটক হাবিল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মিলাদ মাহফিলে তাবারক খাওয়া নিয়ে বিরোধের জের ধরে জিমকে হত্যা করা হয় বলে আদালতকে জানানো হয়েছে। এ হত্যাকা-ের সাথে রাসেল, অন্তর, হৃদয়সহ ১০জন জড়িত ছিল বলে জনিয়েছেন হাবিল। সোমবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার মো. শাজাহন আলী আসামির এ জবানবন্দি গ্রহণ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। হাবিল চাঁচড়া রায়পাড়ার আব্দরের ছেলে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি চোরমারা দিঘিরপাড় এলাকার মসজিদে জুম্মার নামাজের পর মিলাদ মাহফিলের তাবারক খাওয়া নিয়ে রাসেল ও নাঈমের সাথে জিমের কথাকাটাকাটি হয় েেস সময় জিমকে তারা হুমকি দেয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন সময় জিমকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল তারা। ২৭ মার্চ রাতে রায়পাড়া শুকুরের বাড়ির সামনে গেলে জিমকে তারা ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। এ ব্যাপারে নিহতের দাদা চোরমারা দিঘিরপাড় এলাকার আব্দুল গফুর তরফদার বাদী হয়ে ৮জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ ঘটনার রাতে অভিযান চালিয়ে হাবিল, হৃদয় ও অন্তরকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে। হাবিল ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয়।
হাবিল জানিয়েছে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি চোরমারা দিঘিরপাড় এলাকার মসজিদে জুম্মার নামাজের পর মিলাদ মাহফিলের তাবারক খাওয়া নিয়ে রাসেল ও নাঈমের সাথে জিমের কথাকাটাকাটি হয়। এ নিয়ে জিমের সাথে তাদের বিরোধ চলে আসছিল। ২৭ মার্চ রাত সাড়ে ৮টার দিকে জিম একটি মোটরসাইকেলে করে রায়পাড়া শুকুরের বাড়ির সামনে যায়। এ সময় রাসেল, হৃদয়, অন্তরসহ ১০ জন তার গতিরোধ করে। মোটরসাইকেল থামার সাথে সাথে রাসেল একটি ছোরা দিয়ে জিমের পেটে আঘাত করে। হৃদয় মোটরসাইকেসহ জিমের হাত ধরে রাখে। অপর একজন তাকে লোহার রড় দিয়ে কয়েকটি আঘাত করে। এরমধ্যে লোকজন ছুটে আসলে হৃদয় একটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর জিমের মৃত্যু হয়।

শেয়ার