সাতক্ষীরার এসপি ও ৫ ওসিকে ডেকেছে ইসি

ec

সমাজের কথা ডেস্ক॥ সাতক্ষীরায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের আগের রাতের অনিয়ম রোধে ব্যর্থতার বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে জেলার পুলিশ সুপার ও পাঁচ ওসিকে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) তলব করা হয়েছে।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ-সচিব সামসুল আলম বলেন, “বুধবার সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা জেলার এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির ও সংশ্লিষ্ট পাঁচটি থানার ওসিকে কমিশনের সামনে উপস্থিত হতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। তারা সশরীরে ইসির কাছে ব্যাখ্যা তুলে ধরবেন।”

নবম ইউপি ভোটের প্রথম ধাপে গত ২২ মার্চ সারাদেশে ৭১২টি ইউপিতে ভোট হয়। আগের রাতে সাতক্ষীরার তালা, সদর উপজেলা, শ্যামনগর, কলারোয়া ও বেদহাটা উপজেলার ১৪টি কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটে।

সে রাতে ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢুকানোর অভিযোগে ভোটের সকালেই তালার কুমিরা ইউপির তিনটি, সদর উপজেলার আলীপুরের চারটি, শ্যামনগরের কৈখালীর তিনটি, কলারোয়ার কুশডাঙ্গার দুটি ও কেরালকাতার একটি এবং বেদহাটার পারুলিয়া ইউপির একটি কেন্দ্রে ভোট বন্ধ করে দেয় ইসি।

ইউপিতে দলীয় প্রতীকে প্রথম এই ভোটে গোলযোগ-অনিয়মের কারণে ১৩ জেলার ৬৫টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়।

ভোট শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজি রকিবউদ্দীন বলেন, “যেসব এলাকায় অনিয়ম রোধে পুলিশ প্রতিরোধ করলই না তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মামলা করা হবে। আমরা অ্যাকশন নিচ্ছি, রাতে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সাতক্ষীরার ওই ১৪টি কেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতে পুলিশ সদস্যরা গুলি করে অনিয়ম প্রতিহত করে। অনিয়মের ঘটনায় ১১টি কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্তও নেয় নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

শেয়ার