নাশকতা মামলায় যশোরে বিএনপি-জামায়াতের ৬৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

mamlamamla
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নাশকতা মামলায় যশোর জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবেরুল হক সাবুসহ বিএনপি-জামায়াতের ৬৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সোয়েব উদ্দিন আহম্মেদ আদালতে এ চার্জশিট দিয়েছেন। নাম ঠিকানা সঠিক না পাওয়ায় এ মামলা থেকে ১২ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন, জেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম রেজা দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসনে খোকন, নগর বিএনপির সভাপতি মারুফুল ইসলাম, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শাকির হোসনে শামীম, সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক আব্দুর রশীদ, রবিউল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা নাজমুল হোসেন বাবুল, মুন্না, রব মেম্বর, রিপন চৌধুরী সাপুড়ে আক্তার, রাজু মেম্বর, নবাব মেম্বর, একরাম, শাফিয়ার রহমান, জামায়াত নেতা অধ্যাপক গোলাম রসুল, মাস্টার নুরুন্নবী, তুহিন খান, হবিবুল্লাহ, মোস্তফা কামাল শেফা, ডিস শাহীন, ছোট হিরু, কালো কাবিল, মিন্টু খান, টেরা তপন, কালা কবির, মিন্টু, ছোট জয়নাল, বাবু, শহিদুল ইসলাম, হেকমত আলী, আলী কদর, আব্দুল গফ্ফার কিসলু, আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক আবুল হাশিম রেজা, নুরে আলা আল মামুন, বিল্লাল হোসনে, অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস খান, আব্দুল মান্নান, জীবন হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, ইদ্রিস আলী, সাগর, রাজ্জাক, মামুন, বিপুল হোসেন, খায়রুজ্জামান বাবু, শেখ আব্দুর রাজ্জাক, আলমগীর সিদ্দিক, লোকমান হোসেন, কামরুজ্জামান, সৈয়দ জহিরুল ইসলাম মুকুল, শাওন, কেফায়েত হোসেন, সবুজ, নুর ইসলাম, মতিয়ার রহমান, ফজলে রাব্বী মোফাসা, শরিফুল ইসলাম, হাবিবুল্লা ও আব্দুস সামাদ আজাদ।
এ ব্যাপারে টিএসআই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
তদন্ত শেষে ঘটনার সাথে জড়িত অভিযোগে ৬৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে।
অব্যাহতি পাওয়া বিভিন্ন সময়ে আটক আসামিরা হলেন, নেছার আহম্মেদ মুন্না, আইসক্রিম খোকন, আব্দুল মজিদ, জোবায়ের হোসেন, আলমগীর কবির, মাহফুজুর রহমান, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শাহিনুর রহমান বান্ডু, মোস্তফা গোলাম কাদের, সাজ্জাদুর রহমান ও মকছেদ আলী।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৫ জানুয়ারি হরতালের নামে নাশকতা সৃষ্টি করে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা। এ সংবাদ পেয়ে সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ টিএসআই রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সেখানে উপস্থিত হন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে কয়েকটি বোমা নিপে করে। এসময় জীবন ও সম্পদ রক্ষায় পুলিশ শর্টগান দিয়ে ৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি করলে সকলে পালিয়ে যায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তাদের ফেলে যাওয়া দুইটি পেট্রোল বোমা, ছয়টি হাত বোমা ও ১২টি বাঁশের লাঠি উদ্ধার করে।

শেয়ার