সাতক্ষীরার এসপিকে তলব, ১১ কেন্দ্রের পুলিশ বরখাস্ত

sat
সমাজের কথা ডেস্ক॥ ভোটের আগের রাতে নির্বাচনী অনিয়ম হলেও তা ঠেকাতে ব্যর্থতার বিষয়ে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপারের কাছে ব্যাখ্যা চাইবে নির্বাচন কমিশন।
সেই সঙ্গে চার উপজেলার ১১টি কেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

মঙ্গলবার রাতে এ সিদ্ধান্ত হয় বলে বুধবার ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ সচিব সামসুল আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান।

তিনি বলেন, তলবের তারিখ নির্ধারণের পর এসপি চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরকে চিঠি পাঠানো হবে।

“পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রার্থীর বিরুদ্ধেও মামলা করার বিষয়ে ডিসি ও এসপিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।”

নবম ইউপি ভোটের প্রথম ধাপে মঙ্গলবার সারাদেশে ৭১২টি ইউনিয়নে ভোট হয়। দলীয় প্রতীকে প্রথম অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে গোলযোগ-অনিয়মের কারণে ৬৫ কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে ইসি।

ভোট চলাকালে তুলনামূলক কম গোলযোগ হলেও রাতে ভোট গণনার সময় বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় সহিংসতা। চার জেলায় নিহত হন আটজন।

ব্যালটে সিল মেরে বাক্সে ঢুকানোর অভিযোগে সাতক্ষীরার তালার উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের তিনটি, সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের চারটি, শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউপির তিনটি, কলারোয়া উপজেলার কুশডাঙ্গা ইউপির দুটি ও কেরালকাতা ইউপির একটি, বেদহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের একটি ভোটকেন্দ্র স্থগিত করা হয়েছে।

“সাতক্ষীরার এই ১৪ কেন্দ্রের মধ্যে তিনটি কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যরা গুলি করে অনিয়ম প্রতিহত করেছিল। বাকি ১১টি কেন্দ্রে তা হয়নি। তাই মামলা ও বরখাস্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে,” বলেন সামসুল।

মঙ্গলবার ভোট শেষে সিইসিও বলেন, “যেসব এলাকায় অনিয়ম রোধে পুলিশ প্রতিরোধ করলই না তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মামলা করা হবে। আমরা অ্যাকশন নিচ্ছি, রাতে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শেয়ার