যশোরে কর্মীর ছুরিকাঘাতে জেলা বিএনপি নেতা ও সন্ত্রাসীদের হাতে হত্যা মামলার আসামি খুন

niho
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ গতকাল যশোরে নিজ দলের কর্মীর হাতে বিএনপি নেতা ফেরদৌস হোসেন (৫০) এবং সন্ত্রাসীদের হাতে হত্যা মামলার আসামি রাসেল হোসেন (২৫) খুন হয়েছেন। বুধবার রাত ১০টার দিকে শহরের লোহাপট্টি এলাকায় বাকবিত-ার একপর্যায়ে এক বিএনপিকর্মীর ছুরিকাঘাতে ফেরদৌস হোসেন নিহত হন। নিহত ফেরদৌস হোসেন শহরতলী বিরামপুর এলাকার বাসিন্দা। আর বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজারহাটের কোল্ড স্টোরের পাশে রাসেল হোসেন খুন হন। নিহত রাসেল যশোরের শহরতলী মুড়লি খাঁপাড়া এলাকার আবদুল কুদ্দুসের ছেলে এবং সদর উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।
এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, বুধবার বিকেলে দুর্বৃত্তরা রাজারহাট এলাকায় রাসেলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়ার হোসেন জানান, রাসেলের বিরুদ্ধে যুবলীগ নেতা আলমগীর হত্যাসহ অন্তত ৫টি মামলা রয়েছে। স্থানীয় সন্ত্রাসী চক্রের অভ্যন্তরীণ বিরোধের সূত্র ধরে এ হত্যাকা- হতে পারে বলে পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে এখনও আটক করা যায়নি। অন্যদিকে, জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক ফেরদৌস হোসেন দলীয় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে শহরের লোহাপট্টি এলাকায় বিএনপি নেতা ফেরদৌস হোসেনের সাথে বিএনপি কর্মী ফারুকের বাকবিত-া হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ফারুক তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ওহিদুজ্জামান আজাদ জানান, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। যশোর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু জানিয়েছেন, ফেরদৌস হোসেন জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক। তার ওপর কারা হামলা করেছে তা এখনও আমরা জানতে পারিনি। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন জানান, অভ্যন্তরীণ বিরোধের জের ধরে দলীয় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে।

শেয়ার