বোলারদের দাপটে জিতল ইংল্যান্ড

bolar
সমাজের কথা ডেস্ক॥ স্পিনারদের দারুণ বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঝারি লক্ষ্য পেয়েছিল আফগানিস্তান। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি আইসিসির সহযোগী দেশটি। মইন আলির চমৎকার ইনিংসের পর বোলারদের দাপটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টেনের ম্যাচে ১৫ রানের জয় পেয়েছে ওয়েন মর্গ্যানের দল।
বুধবার দিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলায় টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ১৪২ রান করে ইংল্যান্ড। জবাবে ৯ উইকেটে ১২৭ রানে থেমে যায় আফগানিস্তানের ইনিংস।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই দিক হারায় আফগানরা। তিন ওভারে ১৩ রানের মধ্যে বিদায় নেন মোহাম্মদ শাহজাদ, অধিনায়ক আসগর স্তানিকজাই ও গুলবাদিন নাইব।

রশিদ খানের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান নুর আলি জারদান; তবে তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। চার রানের মধ্যে ফিরে যান নুর আলি ও রশিদ।

৩৯ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারানো আফগানিস্তানকে কক্ষপথে ফেরান সামিউল্লাহ সেনওয়ারি। মোহাম্মদ নবি ও নাজিবুল্লাহ জারদানকে নিয়ে দলকে ৬ উইকেটে ৮৫ রানে পৌঁছে দেন তিনি।

ষোড়শ ওভারে সামিউল্লাহ ফিরে গেলে আবার চাপে পড়ে আফগানিস্তান। তবে এরপরও বাছাই পর্ব পেরিয়ে আসা দলটির আশা বাঁচিয়ে রাখেন শফিকুল্লাহ। কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে খুব একটা সহায়তা না পাওয়ায় হার এড়াতে পারেননি তিনি।

ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ ও ডেভিড উইলি দুটি করে উইকেট নেন।

এর আগে তৃতীয় ওভারেই জেসন রয়কে ফেরান আমির হামজা। তবে ইংল্যান্ডকে আসল ধাক্কাটা দেন নবি। এই বাঁহাতি স্পিনারের চার বলের মধ্যে বিদায় নেন জেমস ভিন্স, জো রুট ও ওয়েন মর্গ্যান।

নবিকে ফিরতি ক্যাচ দেন ভিন্স। রান আউট হন ছন্দে থাকা রুট। মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলে বোল্ড হন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক মর্গ্যান।

এরপর দ্রুত ফিরেন বেন স্টোকস ও জস বাটলার। অলরাউন্ডার স্টোকসকে বোল্ড করেন ১৭ বছর বয়সী লেগ স্পিনার রশিদ। উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান বাটলারকে নবির ক্যাচে পরিণত করেন সামিউল্লাহ।

১ উইকেটে ৪২ থেকে ইংল্যান্ডের স্কোর দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ৫৭ রান। ক্রিস জর্ডানের সঙ্গে ২৮ রানের জুটিতে প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়েন মইন। জর্ডানকে ফিরিয়ে আবার ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলেন রশিদ।

অবিচ্ছিন্ন অষ্টম উইকেটে ডেভিড উইলির সঙ্গে মইনের শেষের ঝড়ে লড়াই করার মতো পুঁজি গড়ে ইংল্যান্ড। ৫.৩ ওভারে ৫৭ রান সংগ্রহ গড়েন এই দুই ব্যাটসম্যান। ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন মইন। তার ৩৩ বলের ইনিংসটি গড়া ৪টি চার ও একটি ছক্কায়।

আফগানিস্তানের নবি ও রশিদ নেন দুটি করে উইকেট।

আফগানিস্তানের বোলারদের নৈপুণ্যে এক সময়ে ইংল্যান্ডের একশ’ রান করা নিয়েই শঙ্কা জাগে। মইনের দারুণ ইনিংসে শেষ পর্যন্ত দেড়শ’ রানের কাছাকাছি সংগ্রহ গড়া ইংল্যান্ড অঘটন এড়ায় বোলারদের দৃঢ়তায়।

শেয়ার