ইয়েমেনে আল কায়েদার শিবিরে মার্কিন হামলায় বহু নিহত

Al Qayeda
সমাজের কথা ডেস্ক॥ ইয়েমেনের পার্বত্যাঞ্চলে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আল কায়েদার একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর চালানো ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় গোষ্ঠীটির বহু যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পেন্টাগন। মঙ্গলবার আরব উপদ্বীপের আল কায়েদার (একিউএপি) শিবিরটিতে এ হামলা চালানো হয়।
পেন্টাগনের মুখপাত্র পিটার কুক বলেন, “ইয়েমেনের ঘাঁটি ব্যবহার করে একিউএপি যে সব হামলা পরিচালনা করে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে, এ হামলা একিউএপি সেই সামর্থ্যকে খর্ব করে দেবে।
“এ হামলা আল কায়েদাকে পরাজিত করার আমাদের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন এবং ওদেরকে নিরাপদে কার্যক্রম চালাতে না দেওয়ার নজির।”
শিবিরটিতে ৭০ জনেরও বেশি একিউএপি-র জঙ্গি ছিল বলে জানিয়েছেন কুক।
তিনি বলেন, “অভিযানটির ফলাফল খতিয়ে দেখছি আমরা। তবে প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, হামলায় একিউএপি’র কয়েক ডজন যোদ্ধা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে চিরতরে সরে গেছে।”
আল কায়েদার সবচেয়ে তৎপর শাখা একিউএপি’র ঐতিহ্যবাহী শক্তিকেন্দ্র ইয়েমেন। এটি ওসামা বিন লাদেন প্রতিষ্ঠিত জঙ্গি নেটওয়ার্কটির ইয়েমেনি ও সৌদি শাখার মিলিত রূপ।
২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রগামী একটি বিমানে বোমা হামলার চেষ্টা করেছিল একিউএপি। এছাড়া গেল বছর প্যারিসে ব্যঙ্গ ম্যাগাজিন শার্লি এবদু’র কার্যালয়ে চালানো জঙ্গি হামলা দায় স্বীকার করে আল কায়েদার এ শাখাটি। ওই হামলায় ১২ জন নিহত হন।
তবে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন এসব হামলায় আল কায়েদার প্রত্যক্ষ ভূমিকার চেয়ে পরোক্ষ ভূমিকা অনেক বেশি।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মনসুর হাদির অনুগত বাহিনীর মধ্যে চলমান গৃহযুদ্ধের সুযোগে একিউএপি তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ পায়। তারপরও গোষ্ঠীটি যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ছাড়াও ইসলামিক স্টেটের (আইএস) ইয়েমেনি শাখার প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়েছে।

শেয়ার