সিএন্ডএফ ব্যবসায়ীর শুল্ক ফাঁকি দেওয়া পণ্য চালান যশোরে বিজিবির হাতে আটক

benapol
শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি॥ যশোরের বেনাপোলে এক সিএন্ডএফ এজেন্ট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কাগজ পত্র জালজালিয়াতি করে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে পন্য খালাশের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ধরা পড়েছে বিজিবি’র হাতে রোববার সন্ধ্যায় যশোর এলাকায়। যশোর ঝুমঝুমপুর বিজিবি আটক পন্য ও পন্যবাহি ট্রাক বেনাপোল কাস্টমে জমা দিয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল কাব্য এন্টার প্রাইজ ভারত থেকে ৫ হাজার ৫শ’ ৫৫ ইউ এস ডলার মুল্যের চকলেট সহ মোটর পার্টস আমদানি করে। যার এল সি নং ৯১৪১৬০১০১২১ ,তাং ০৯/০৩/১৬। মেনিফেষ্ট নং ১১৭৮৪/১,তাং ১০/০৩/১৬। পন্যের পরিমান ১৯৯ প্যালেজ, ৫৪৫৮ কেজি। এর মধ্যে চকলেট রয়েছে ৩হাজার ৩শ’ কেজি। পণ্যগুলি ছাড় করানোর জন্য সিএন্ডএফ রুপালী এজেন্সি বেনাপোল কাস্টমস হাউসে ডকুমেন্ট সাবমিট করে। যার বি/ই নং সি ১৫৫১০,তাং ১৩/০৩/১৬। পন্যটি শতভাগ পরীক্ষনের জন্য কাস্টম স্যাগ নির্ধারন করা হয়। শতভাগ পরীক্ষা কালে কাস্টম স্যাগ কর্মকর্তা সঠিক ভাবে পরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর বেনাপোল শুল্কায়ন গ্র“প ১ থেকে সিএন্ডএফ এজেন্ট দাখিলকৃত কাগজ পত্র জালিয়াতি করে পরীক্ষা প্রতিবেদন, ইনভয়েজ/প্যাকিংলিষ্ট নকল করে মাত্র ৭৩৫ কেজি পণ্য দেখিয়ে আমদানিকৃত পন্যটি শুল্কায়ন করে। যথারিতি সিএন্ডএফ এজেন্ট ৫৪৫৮কেজি পন্যের মধ্যে ৭৩৫কেজির রাজস্ব ব্যাংকে জমা দিয়ে ২০/০৩/১৬ তারিখ বেনাপোল স্থল বন্দরের ১৭ নং শেড থেকে পন্যটি খালাস নেয়। বিষয়টি গোপনে হলেও গোপন সংবাদ পেয়ে যশোর বিজিবির কমান্ডিং অফিসার কর্ণেল জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে ঐ পন্যের পরিবহন ট্রাক যার নং (ঢাকা মেট্রো-ট ১৪-৫৬৫৬) আটক করে। এ ব্যাপারে ২৬ বিজিবি’র কমান্ডিং অফিসার কর্ণেল জাহাঙ্গীর হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কিছু মোটর পার্টস ও চকলেটের একটি চালান বেনাপোল থেকে আসছে। পন্য চালানের ট্রাকটি যশোর থেকে আটক করে কাস্টম এর কাগজ পত্র দেখালে শুল্ক ফাঁকির ঘটনা ধরা পড়ে। তিনি জানান আটক ট্রাক ও পন্য বেনাপোল কাস্টমে জমা করা হয়েছে। এ বিষয়ে বেনাপোল কাস্টমের অতিক্তি কমিশননার ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি কমিশনার এর কাছে ঁজানতে হবে। এ ব্যাপারে বেনাপোল কাস্টমসের ১নং গ্র“পের রাজস্ব অফিসার শহীদুল্লাহ ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন সিএন্ড এফ এজেন্ট পরীক্ষন রিপোর্ট ও ইনভয়েজ ও প্যাকিংলিষ্ট জালিয়াতি করে পণ্য চালানটি শুল্কায়ন করেছে। যা ধরা পড়েছে। এ ব্যাপারে বেনাপোলের একজন সিএন্ড এফ ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করে বলেন বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে বর্তমান সরকারের আমলে বেশকিছু সিএন্ডএফ মালিক শুল্ক ফাঁকি দিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে। যা দূদকের মাধ্যমে তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। বিষয়টি তদন্ত প্রয়োজন।

শেয়ার