শান্তি আলোচনায় ‘নির্বাচনজনিত বিলম্ব’ প্রত্যাখ্যান সিরীয় বিদ্রোহীদের

santi
সমাজের কথা ডেস্ক॥ নির্বাচনের অজুহাতে শান্তি আলোচনা পিছিয়ে দিতে সরকারি যে কোন চেষ্টা ‘প্রত্যাখ্যান’ করার ঘোষণা দিয়েছে সিরিয়ার বিরোধী জোট।

রোববার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে সিরিয়ার সরকারবিরোধী হাই নেগোসিয়েশন কমিটি (এইচএনসি)-র ডেপুটি কো অর্ডিনেটর ইয়াহিয়া কাদামানি এ ঘোষণা দেন।
নির্বাচন উপলক্ষে শান্তি আলোচনা দুই সপ্তাহ ‘স্থগিত রাখা’র পরিকল্পনার কথা জানার পর সিরিয়ার বিদ্রোহীরা এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ গেল মাসে চার বছর পর নতুন এ নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। এপ্রিলের ১৩ তারিখ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।
পাঁচ বছরের গৃহযুদ্ধের পর সরকারি বাহিনীর শক্তিশালী অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে আসাদ নির্বাচনের এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১২ সালে সর্বশেষ নির্বাচনেও আসাদের দল বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিল।
গেল কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশটির সরকারি ও বিরোধী পক্ষ জেনেভায় জাতিসংঘের বিশেষ দূত স্তাফা দ্য মিসতুরার মধ্যস্থতায় ‘শান্তি আলোচনা’ চালিয়ে আসছে।
গেল বৃহস্পতিবার মিসতুরা ‘নির্বাচন’ উপলক্ষে শান্তি আলোচনা পিছিয়ে দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন।
এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে রোববার সিরিয়ার বিরোধীদলগুলোর জোট এ সংবাদ সম্মেলন করে।
“আমরা জানতে পেরেছি যে, পরবর্তী দফা শান্তি আলোচনা দুই সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে দেয়ার আয়োজন করছে সরকারিপক্ষ। এর মধ্য দিয়ে সরকারিপক্ষ তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে”, বলেন ইয়াহিয়া কাদামি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্ধারিত সময় এপ্রিলের ৪ তারিখেই পরবর্তী দফা আলোচনা শুরুর আহবান জানান।
কাদামি রাশিয়ার সরকারকে তার মিত্র আসাদের উপর প্রভাব খাটানোরও আহবান জানান।
আসাদের সরে যাওয়া ছাড়া রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ফলপ্রসূ হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার