আঙ্কারায় হামলার দায় স্বীকার কুর্দি গোষ্ঠীর

angkara
সমাজের কথা ডেস্ক॥ তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় গত রোববারের গাড়িবোমা হামলায় ৩৭ জন নিহতের ঘটনার দায় স্বীকার করেছে কুর্দি জঙ্গি গোষ্ঠী কুর্দিস্তান ফ্রিডম হকস (টিএকে)।
অনলাইনে প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি বলেছে, কুর্দি অধুষ্যিত দক্ষিণ-পূর্বে সামরিক অভিযানের প্রতিশোধ নিতে এ হামলা চালানো হয়েছে।
টিএকে গোষ্ঠীটি নিষিদ্ধ ঘোষিত কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) সঙ্গে সম্পৃক্ত। গোষ্ঠীটি গত মাসে আঙ্কারায় আরেকটি বোমা হামলারও দায় স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। তুরস্ক কর্তৃপক্ষ সর্বশেষ হামলার জন্য পিকেকে কে দায়ী করেছে।
অন্যদিকে, ভিন্ন আরেকটি ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় আঙ্কারায় দূতাবাস বন্ধ করেছে জার্মানি। শুধু দূতাবাসই নয়, ইস্তাম্বুলে জার্মান কনস্যুলেট এবং একটি স্কুলও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
জানুয়ারিতে ইস্তাম্বুলে আত্মঘাতী হামলায় ১২ জার্মান টুরিস্ট নিহততের ঘটনার জন্য ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) দায়ী করা হয়।
আঙ্কারায় রোববারের গাড়িবোমা হামলাটি হয়েছে একটি ব্যস্ত বাজার এলাকায় এবং নগরীর কেন্দ্রস্থলে একটি পরিবহন কেন্দ্রে। বহু মানুষ হামলায় আহত হয়েছে।
কুর্দিস্তান ফ্রিডম হকস (টিএকে) গঠিত হয়েছে ২০০৪ সালে। পিকেকে’র কট্টরপন্থি শাখা হিসাবে এটি পরিচিত। টিএকে পিকেকে থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে জানালেও কুর্দি জঙ্গি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দল দুটোর মধ্যে এখনও সম্পৃক্ততা আছে।
বুধবার গোষ্ঠীটি তাদের ওয়েবসাইটে বলেছে, নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে.রোববারের বোমা হামলা চালানো হয়েছে। বেসামরিক নাগরিকরা হামলার লক্ষ্য ছিল না।
এতে আরও বলা হয় “১৩ মার্চ সন্ধ্যায় ফ্যাসিস্ট তুর্কি রিপাবলিকের রাজধানীর রাস্তায় একটি আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এ হামলার দায় স্বীকার করছি।”

শেয়ার