৩১ মার্চ যশোর সদরের ১৫ ইউনিয়নে নির্বাচন ॥ পোস্টার ছাপাতে ছাপাখানায় প্রার্থীরা, ব্যস্ত প্রেসকর্মীরা

press
রুহুল আমিন॥
যশোর সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের প্রার্থীরা গতকাল নির্বাচনী প্রতীক পেয়েই পোস্টার, হ্যান্ডবিল ছাপাতে ছাপাখানায় ভিড় করেন। প্রার্থীরা ছাপাখানায় গিয়ে নির্বাচনী বিধি মেনে লিফলেট ও পোস্টার ছাপাতে দেন। আর প্রার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী পোস্টার ও লিফলেট সরবরাহ করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন প্রেসকর্মীরা।
৩১ মার্চ দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যশোর সদরের ১৫টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে ১৫ টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৩৫ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১২৯ জন ও সাধারণ সদস্য পদে ৪৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৪ মার্চ চূড়ান্ত প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার। গতকাল বেলা ১১ টার দিকে প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে প্রার্থীরা শহরের বিভিন্ন প্রেসে পোস্টার, হ্যান্ডবিল ছাপানোর জন্য ভিড় জমাতে থাকেন। শহরের মিতালী প্রিন্টার্স, বিপ্লব মুদ্রণ, লাকি প্রেস, আনসার প্রেস, ইসলাম প্রিন্টিং, রাব্বি প্রিন্টার্স, মধু প্রিন্টিং প্রেস, ইউনাইটেড প্রেস, মিম প্রিন্টিং প্রেস, ডলফিন প্রেস, নাহার প্রেস, ময়না প্রেস, কাজীপাড়ার মান্নান প্রিন্টিং, কপোতাক্ষ প্রিন্টিং প্রেস ও আকাশ প্রিন্টিংসহ বেশ কয়েকটি প্রেস ঘুরে দেখা যায় গতকাল বেলা সাড়ে ১১টা থেকে প্রেসগুলোতে প্রার্থীরা ভিড় করতে থাকেন। ছাপাখানার মালিক ও কর্মচারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রথমবারের মত স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হওয়ায় দলীয় প্রার্থীরা আগে থেকেই নিজ নিজ দলীয় প্রতীকে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা, ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ও সাধারণ সদস্যরা প্রতীক পাওয়ার পর পোস্টার ছাপাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। গতকাল থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারাভিযান চালাতে পারবেন। সে কারণে প্রার্থীরা প্রতীক সংবলিত পোস্টার ও লিফলেট নিয়ে মাঠে নামতে চাচ্ছেন।
কপোতাক্ষ প্রিন্টিং প্রেসের স্বত্বাধিকারী জেলা প্রেস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহিন সাহা রানা বলেন, এবারই প্রথম স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে। ফলে দলীয় প্রার্থীরা অনেক আগে থেকেই দলীয় প্রতীকে প্রচার-প্রচারণায় এগিয়ে রয়েছেন। শুধুমাত্র নারী ও পুরুষ ইউপি সদস্য প্রার্থীরা পোস্টার ছাপাতে ব্যস্ত।
মিতালী প্রিন্টার্সের পরিচালক সুলতান আহমেদ বলেন, মণিরামপুর উপজেলার ইউপি নির্বাচনী কাজ শেষ হতে না হতেই সদরের প্রার্থীরা প্রতীক পেয়েছেন। তাই প্রার্থীরা পোস্টার ছাপানোর অর্ডার দিচ্ছেন। সোমবারের মধ্যে আমরা ২০টি কাজের অর্ডার পেয়েছি। আমরা তাড়াতাড়ি পোস্টার সরবরাহ করতে প্রেসে শ্রমিক বাড়িয়ে দিন-রাত কাজ করানোর উদ্যোগ নিয়েছি।
উপশহর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী এহসানুর রহমান লিটু বলেন, আমি কাজীপাড়ায় মান্নান প্রিন্টিং প্রেসে ৫ হাজার নির্বাচনী পোস্টার ছাপানোর অর্ডার দিয়েছি। দ্রুত পেলে প্রচারাভিযান ভালোভাবে করতে পারবো। চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সদস্য প্রার্থী আনিসুর রহমান আনিস বলেন, আমি মোরগ প্রতীক পেয়েছি। প্রতীক ভোটারদেরকে জানানোর জন্য আমি দ্রুত পোস্টার ছাপানোর অর্ডার দিয়েছি।

শেয়ার