টাকার বিপরীতে জমি লিখে দেওয়ার চুক্তি করেও না দিতে ‘অপচেষ্টা’॥ ভুক্তভোগী এহসান সোসাইটির গ্রাহক ও মাঠকর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

ehsan
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ গ্রাহকদের বিনিয়োগের টাকার বিপরীতে জমি লিখে দেওয়ার চুক্তি করেও তা না দিতে ‘অপচেষ্টা’ করছে এহসান রিয়েলস্টেট এন্ড ডেভলপমেন্ট লিমিটেড ও এহসান সোসাইটি। এমন অভিযোগ করে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহক ও মাঠকর্মীরা বিনিয়োগের টাকা এবং হয়রানিমূলক মামলার প্রতিকার চেয়েছেন। শনিবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোর মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তারা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিকার চায়।
লিখিত বক্তব্যে গ্রাহক কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবর আলী বলেন, সংস্থার পরিচালকগণ তাদেরকে সুদমুক্ত বিনিয়োগের কথা বলে কার্যক্রম শুরু করে। কর্মকর্তাদের বিশ্বাস করে এ প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকরা টাকা বিনিয়োগ করেন। প্রায় দুই বছর মূল টাকাসহ কোন মুনাফা প্রদান না করায় বারবার প্রতিষ্ঠানের পরিচালকগণের শরণাপন্ন হই। অনেক টালবাহানার পর গাজীপুর ঘুশুলিয়া মৌজায় দ্বারাইল এহসান সিটি থেকে ৪০টি প্লট ও আশুলিয়ার তৈয়বপুর ও নরসিংহপুর থেকে ১৭১ শতক জমি ও নগদ অর্থ দেয়ার কথা বলে ২০১৪ সালের ২০ অক্টোবর এমডি কাজি রবিউল ইসলাম স্ট্যাম্পে চুক্তি করেন। কিন্তু চুক্তি অমান্য করে মাত্র ১৫৭ দশমিক ৫০ শতক জমি প্রদান করে। বাধ্য হয়ে তা মেনে সকল মাঠকর্মী ও গ্রাহকগণের সম্মতিতে আমাদের মধ্যে ৪জন মাঠকর্মীর নামে অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তার নামা দলিল করে দেয়। কিন্তু এরপরও আমমোক্তার নামা বাতিল করার জন্য নানা অপকৌশল শুরু করে প্রতিষ্ঠানের পরিচালকগণ। তাদের প্রশ্রায়ে আর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে স্থানীয় ভূমিদস্যু মুজিবার রহমানের মাধ্যমে আমমোক্তারনামা দখল করে নেয়। সাধারণ গ্রাহক যেন জমিটা না পায় এমন পরিকল্পনা নিয়ে পরিচালকদের সাথে হাত মিলিয়ে সাধারণ গ্রাহক যশোরের বারান্দীপাড়ার রবিউল ইসলামের ছেলে মফিজুল ইসলাম ইমন অপচেষ্টা চালাচ্ছে এবং মাঠকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এহসান সোসাইটি ও এহসান রিয়েলস্টেট লিমিটেড যশোরের এফও এবং গ্রাহক কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুর রহমান, মুফতি ফুরকান আহম্মেদ, ইব্রাহিম, রেজাউর রহমান, বেলাল হোসেন, নারী ইসলাম, খলিলুর রহমান, নুর আলমসহ গ্রাহক ও মাঠকর্মীরা

শেয়ার