চোরাই গাড়ি আটক করে আত্মসাতের অভিযোগে সার্জেন্ট জাহিদ স্ট্যান্ডরিলিজ

high way policepolice
নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে চোরাই মোটরসাইকেল কেনাবেচা এবং আটক গাড়ি আত্মসাতের অভিযোগে সার্জেন্ট জাহিদকে ঝিনাইদহে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। ডিআইজি অফিসের আদেশে গত মঙ্গলবার তিনি ঝিনাইদহে যোগদান করেন।
পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, সার্জেন্টা জাহিদ গত দুই বছর আগে যশোরে ডেপুটেশনে যশোর ট্রাফিকে যোগদান করেন। এরপর থেকে শুরু করেন বিভিন্ন ধরনের গাড়ি আটকের নামে ঘুষ বাণিজ্য। তাছাড়া সার্জেন্ট জাহিদ তিনটি মোটরসাইকেল আটক করে আত্মসাৎ করেছেন। এর মধ্যে শহরতলীর বিরামপুরের আসাদের ছেলে শুভ’র একটি কালো পালসার, পালবাড়ি এলাকার কামাল নামে এক ব্যক্তির হিরো স্পিলিন্ডারসহ তিনটি মোটরসাইকেল জব্দ করে তিনি আত্মসাৎ করেন। এরমধ্যে কালো পালসারটি তিনি নিজেই ব্যবহার করেন। তাছাড়া সার্জেন্ট জাহিদ উর্ধ্বতন মহলকে তোয়াক্কা না করে কাউকে না জানিয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি বাড়িতে চলে যান। বিষয়টি উর্ধ্বতন মহলের নজরে এলে তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। এঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় একটি তদন্ত হয়। ওই তদন্তে দোষী হওয়ায় গত ৭ মার্চ রেঞ্জ ডিআইজি অফিস থেকে ঝিনাইদহে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তিনি ৮ মার্চ যশোর ছেড়ে ঝিনাইদহে চলে গেছেন।
অপরদিকে, সার্জেন্ট পবিত্র’র বিরুদ্ধেও রয়েছে এন্তার অভিযোগ। তিনিও অবৈধ যানবাহন আটকে ঘুষ বাণিজ্য করেন বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সার্জেন্ট পবিত্র যশোর-হ-১২-১৮২৭ নম্বরের একটি লাল রংয়ের ডিসকভার ১২৫ সিসির মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন। ওই গাড়িটিও অবৈধ বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। তার ভাই প্রান্ত যশোর কমার্স কলেজে লেখাপড়া করেন। তিনি যে গাড়িটি ব্যবহার করেন তাও অবৈধ বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। এব্যাপারে সার্জেন্ট জাহিদের মুঠো ফোনে রিং করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

শেয়ার